
স্টাফ রিপোর্টার:
অতিথি পাখির কলতানে মুখরিত ডেরকা পুকুর।সদর উপজেলার বেগুনবাড়ি ইউনিয়নের বান্দিগড় ডেরকা পাড়ায় অবস্থিত ডেরকা পুকুর। আয়তন মাত্র (শূন্য দশমিক) ০.৮৩ একর। মূলত পুকুরটি ডেরকা মাছের জন্য বিখ্যাত। শীতের প্রকোপ কম থাকায় পুকুরটি অতিথি পাখির মুহুর্মুহু কলতানে ও কিচিরমিচির শব্দে মুখরিত হয়ে উঠেছে।
ডেরকা পুকুরটির আশপাশে অনেক বড় বড় পুকুর থাকলেও অতিথি পাখিরা এই পুকুরটিকেই বেছে নিয়েছে আশ্রয়স্থল হিসেবে।পাখিরা রাতে পুকুরটির দুই ধারের বাঁশ ঝাড়ে থাকে। আর ভোর হলেই খাবারের সন্ধানে পুকুরে নেমে আসে। পুকুরটিতে সবুজ কচুরিপানা ও সাদা ফুলের মাঝখানে পানকৌড়িসহ কয়েক জাতের কালো, সোনালি রংয়ের শতাধিক পাখির বিচরণ ও ডাকাডাকি মুগ্ধ করছে স্থানীয়সহ দর্শনার্থীদের।
এদিকে জেলার রাণীশংকৈল উপজেলার রামরাই দিঘিকে অতিথি পাখিদের অভয়াশ্রম বলা হলেও রামরাই দিঘির পাশাপাশি এবার ডেরকা পুকুরেও অতিথি পাখির আগমন ঘটেছে। আর এসব পাখি দেখতে স্থানীয়সহ দূরদুরান্ত থেকে ছুটে আসছেন অনেকে। অতিথি পাখিরা শীত প্রধান দেশ সুদূর সাইবেরিয়া থেকে এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পাখি দেখতে আসা সবুজ নামে এক দর্শনার্থী বলেন, আমি লোক মুখে শুনে দেখতে আসলাম। এখানে এসেই আমি মুগ্ধ হয়েছি। আশপাশে অনেক পুকুর আছে কিন্তু অতিথি পাখিরা সেসব পুকুরে না থেকে এই পুকুরটিকেই বেছে নিয়েছে। পাখির গুঞ্জন আর চারপাশের পরিবেশ দেখে খুবই ভালো লাগছে।
বান্দিগড় ডেরকা পাড়ার স্থানীয় সাহাবুর রহমান জানান, এর আগে এখানে এমন পাখি দেখা যায়নি। এবার এই পুকুরটিতে কয়েকশ বিভিন্ন প্রজাতির অতিথি পাখি এসেছে। এসব দেখতে অনেক মানুষ আসছে।
স্থানীয় আবদুল হামিদ বলেন, এখানে অনেক পাখি এসেছে। পাখিদের যেন কেউ না ধরে বা তাদের বিচরণে বাধা না দেয় তার জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনকে বিশেষভাবে নজর রাখার অনুরোধ করছি।
পাখিদের সুরক্ষার বিষয়ে মোবাইল কোর্টের অভিযান অব্যাহত আছে। সেখানে পাখিদের অভয়াশ্রম করতে না পারলেও কেউ যাতে তাদের নিধন করতে না পারে সে ব্যাপারে নজর রাখা হবে বলে জানান, সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আবু তাহের মো. সামসুজ্জামান।
সম্পাদক- আবদুর রহমান
০১৩০৩১১২৬৭৬
Web:https://bangladeshamar.com/ Email: doinikbangladeshamar@gmail.com
Address: F-8, KA-90,JHK WINDCEL, KURIL KAZI BARI,VATARA,DHAKA-1229.
Copyright © 2026 বাংলাদেশ আমার. All rights reserved.