সম্পাদক

স্টাফ রিপোর্টার:

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে শীতের প্রকোপ বাড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে পুরোনো গরম কাপড় বিক্রি। উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় রাস্তার পাশে অস্থায়ী পুরোনো কাপড়ের দোকানগুলোতে সারা দিন ভিড় লেগেই থাকে। কম দামে ভালো মানের গরম কাপড় মেলায় এসব দোকানে বেচাকেনাও ভালো হয়। শহরের থানার মোড় এলাকায় অবস্থিত পুরোনো কাপড়ের দোকানগুলো সব সময় জমজমাট থাকে বিশেষ করে রবিবার । পুরোনো গরম কাপড় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, শীতের শুরু, অর্থাৎ অগ্রহায়ণ মাস থেকে এ কাপড়ের চাহিদা শুরু হয়ে তা অব্যাহত থাকে মাঘের শেষ পর্যন্ত। ব্যবসায়ীরা জানান, বোয়ালমারী থানার মোড় এলাকায় রোডের দুই পাশে ২০ ‍বিক্রেতা কাপড় বিক্রি করেন। পুরোনো কাপড়ের ব্যবসায়ীরা জানান, বোয়ালমারী শহরে তারা মোট ২৫-৩০ বিক্রেতা শহরের বিভিন্ন জায়গায় পুরোনো কাপড় বিক্রি করেন। এসব দোকানে পূর্বে শুধুমাত্র অসহায় ও গরিব মানুষেরা ছুটে আসতো, তবে এখন মানের বিচারে ভালো ও আরামদায়ক হওয়ায় ধনী-গরিব মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত সবাই ছুটছেন এসব দোকানগুলোতে। শুধু ক্রেতারাই নয়, উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকাগুলো থেকে কাপড়ের পাইকাররাও ছুটে আসছেন। তারা গাইটসহ কিনে নিয়ে যাচ্ছেন বিভিন্ন স্থানে। ফলে এ ব্যবসার সাথে বোয়ালমারীর অনেক মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িয়ে পড়েছেন। সরেজমিনে দেখা গেছে, শহরের থানা মোড় এলাকায় বাঁশ, পলিথিন দিয়ে বানানো হয়েছে পুরোনো কাপড়ের দোকান। সেখানে ২ সারিতে রয়েছে প্রায় ২০টি দোকান। সকাল নয়টা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত খোলা থাকে এসব দোকান। তবে বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ক্রেতাদের ভিড় থাকে সবচেয়ে বেশি। সরেজমিনে দেখা যায়, ক্রেতারা তাঁদের চাহিদা অনুযায়ী দেখে-শুনে কিনে নিচ্ছেন এসব পোশাক। এসব দোকানে তরুণ ক্রেতা বেশি। বোয়ালমারীর বাসিন্দা, ব্যবসায়ী মো. ফারুক বিশ্বাস বলেন গরম কাপড়ের ব্যবসা একটি লাভজনক ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। এর মাধ্যমে অনেকের জীবিকা নির্বাহের পথ প্রসারিত হয়েছে। পুরনো এসব কাপড় আসায় সব শ্রেণীপেশার মানুষ শীত নিবারণের পথ খুঁজে পেয়েছে।