ওমর ফারুক


সুনামগঞ্জের মধ্যনগরে পৈত্রিক কৃষি ফসলি জমি নিয়ে নির্বাহী কর্মকর্তা ও আদালতে মামলা চলমান এবং ১৪৪ধারা জারি থাকা সত্ত্বেও হাল চাষাবাদের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেন এক কৃষক।৪ঠা জানুয়ারী দুপুরে মধ্যনগর উপজেলা প্রেসক্লাব কার্যালয়ে দক্ষিণ বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের বাট্টা গ্রামের দ্বীনবন্ধু সরকার(৫৫) এ সংবাদ সম্মেলন করেন।

তিনি লিখিত বক্তব্যে তুলে ধরেন হয়রানী মুলক মিত্যা মামলা দিয়ে আমার গ্রামের মৃত আনন্দ বিশ্বাসের পুত্র ললিত বিশ্বাস(৪০)।বিগত২৪/৪/২২তারিখের মিত্যা অভিযোগ তুলে আমার বিরুদ্ধে ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী ও আদালতে মামলা করে।১৪৪ধারা জারি করে আমার রোপিত জমির পাকাধান কাটা হয় প্রশাসনের মাধ্যমে।তাদের দখলও নয় এবং ভূয়া দলিলের মাধ্যমে মুল রেকর্ড মালিক অতুল চন্দ্র দেব’এর জায়গায় শশী মোহন নামীয় অবৈধ ব্যাক্তির দলির দিয়ে আমার নামের রেকর্ড কেটে তার বাবা আনন্দ বিশ্বাসের নামে ভাবে রেকর্ড করে।আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধারেখেই যথারীতি মামলার হাজিরা দিতেছি।এবংযেখানে ১৪৪ধারা জারি সেখানে আমার প্রকৃত দলিল থাকা সত্ত্বেও এবছর কৃষি মৌসুমে চাষাবাদ করছি না।

কিন্তু আমার উপর একধিক মামলা করেও ললিত বিশ্বাস গং ৩রা জানুয়ারি ২০২৩ইং হাল চাষাবাদ শুরু করে আমার জমিতে।এমতাবস্থায় আইন অমান্য করে আমার জমিতে জোর পুর্বক চাষাবাদ বন্ধ করে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থায় প্রশাসনিক সুদৃষ্টি কামনা করছি।

এবিষয়ে ললিত বিশ্বাসের সাথে মুঠোফোনে কথা বলতে চাইলে ফোন রিসিভ হয় নি।একটি লিখিত বক্তব্যে জানা যায়,শশী মোহন কতৃক সাবকাবলার ১৯৮৮র দলিল মূলে জমিটির মালিক প্রেমানন্দ বিশ্বাস,ললিত বিশ্বাস,সুনীল বিশ্বাস মালিক বলে দাবী করেন।

মধ্যনগর থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোঃমির্জা মাহমুদে’র সাথে কথা বললে তিনি জানান, যেহেতু আদালতে মামলা চলমান সেক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেবে আদালত।এমতাবস্থায় কারো চাষবাসে না নামাই ভাল।এতে আইনশৃঙ্খলা মানামান্যতা বজায় থাকবে।