সম্পাদক

নিউজ ডেস্ক :

রেকর্ড করলেন ম্যাকার্থি। ১১ বার ভোট হলো। রিপাবলিকান নেতা জিততে পারলেন না। তার এখনও স্পিকার হওয়া হলো না।

১৮৬০-এর পর থেকে এমন ঘটনা আর ঘটেনি। ১১ বার ভোটাভুটি হলো, অথচ হাউসের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা স্পিকার হতে পারলেন না, এই নজির আর নেই। প্রতিটি ভোটেই রিপাবলিকান পার্টির ২০ জন সদস্য ম্যাকার্থির বিরুদ্ধে ভোট দিচ্ছেন। ফলে তিনি স্পিকার হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় গরিষ্ঠতা পাচ্ছেন না।

১৮৬০ সালে ৪৪ বার ভোটাভুটির পর স্পিকার নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছিল। তবে তখন দাস প্রথার বিষয়টি হাউসের সামনে ছিল। এখন তেমন গুরুতর কোনো বিষয় নেই। কিন্তু রিপাবলিকান দলে ম্যাকার্থির বিরোধীরা বলছেন, তারা ম্যাকার্থিকে বিশ্বাস করেন না।

বিক্ষুব্ধ সদস্য নর্মান বিবিসিকে বলেন, ম্যাকার্থির ওপর তাদের আস্থা নেই। তিনি যা বলেন, তা করেন বলে তারা বিশ্বাস করেন না।

তিনি আরও বলেন, ম্যাকার্থির টিম তাদের হুমকি দিচ্ছে। বিরূপ রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়ার কথা বলছে। আর তারা বলছেন, ব্যবস্থা নিতে হলে ম্যাকার্থিকে আগে স্পিকার হতে হবে। তারা তাকে স্পিকার হতেই দেবেন না।ম্যাকার্থি অবশ্য বিক্ষুব্ধদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কমিটির সদস্য করার কথা বলেছেন। আরও কিছু সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। কিন্তু বিক্ষুব্ধরা তাদের বক্তব্যে অনড়। তাদের দাবি, ম্যাকার্থিকে সরে দাঁড়াতে হবে। তাদের বিশ্বাসভাজন কোনো নেতাকে স্পিকার করতে হবে।

এই পরিস্থিতিতে ম্যাকার্থি তাদের আরও গুরুত্বপূর্ণ পদ দিতে রাজি হবেন কিনা, সেই প্রস্তাব বিক্ষুব্ধরা মানবেন কিনা, তার ওপর নির্ভর করছে— কে স্পিকার হবেন।

গত তিন দিন ধরে হাউসে শুধু ভোটাভুটি হচ্ছে। আর কোনো কাজ হচ্ছে না। তাতে উদ্বিগ্ন হয়ে কয়েকজন রিপাবলিকান সদস্য বলেন, ব্যক্তিগত রাজনীতির বাইরে গিয়ে দেশের কথা ভেবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।