সম্পাদক
স্টাফ রিপোর্টার:
দেওয়া ১৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার মধ্যে ১১ লাখ ৭৮ হাজার টাকার কোনো হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না।শুধু তাই নয়, দুই হাজার ৫৮টি শুকনো খাবার প্যাকেটের মধ্যে মাত্র ৭০০ প্যাকেট বিতরণ করা হয়েছে। অথচ ত্রাণ বিতরণের অফিস ফাইল নোটে ৩৬৪ প্যাকেট করে বিতরণ দেখানো হয়েছে। ইউপি চেয়ারম্যানরা মাত্র ১০০ প্যাকেট করে শুকনা খাবার বরাদ্দ পেয়েছেন। ফাইল নোট ও রেজিস্টারের মধ্যে ব্যাপক গড়মিল লক্ষ্য করা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, করোনা ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্র ও দুস্থ পরিবারের সহায়তার জন্য বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় চলতি বছরের গত ৮ জুন ১৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে এ পর্যন্ত এ উপজেলায় ৬৭ হাজার ৩০০ টাকার ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে।সোনাতলা উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের প্রতিটিতে ৩৬৪ করে মোট দুই হাজার ৫৮৪টি শুকনা খাবারের প্যাকেট বিতরণের কথা থাকলেও সেখানে প্রতিটি ইউনিয়নে ১০০ করে শুকনা খাবারের প্যাকেট স্ব-স্ব ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে দেওয়া হয়। প্রতিটি প্যাকেটের মূল্য ধরা হয়েছে ৬৭৩ টাকা। শুকনা খাবারের প্যাকেটগুলো সরবরাহ করেছে মেসার্স শাহানা ভ্যারাইটিজ স্টোরের স্বত্বাধিকারী শহিদুল ইসলাম। প্রতি প্যাকেটে ছিল সাত কেজি চাল, আধাকেজি লবণ, এককেজি চিনি, এককেজি ডাল, ১০ টাকা মূল্যের একটি সাবান।

