ওমর ফারুক
স্টাফ রিপোর্টারঃ
রায়েন্দা বাংলাবাজারে বেপরোয়া ভাবে প্রতারক পকেটমার পতিতাবৃত্তি ভূমিদস্যু নারীওশিশু ধর্ষণ সন্ত্রাসী চক্রের কার্যক্রম বেড়েই চলেছে প্রতারকদের নির্যাতনে অতিস্পষ্ট জণসাধারণ এমন কি শিশুরাও নিরপদে নয় তাদের থেকে হাত পা বেধে করা হয় ধর্ষণ ঘাতকদের ভয়ে কেউ মুখ খুলেনা নিরবে সয়ে যায় নির্যাতন প্রণে মারার ভয়ে, সন্ত্রাসী প্রতারক বাহিনীর গডফাদার মোস্তফা কামাল মুন্সীর নেতৃত্বে প্রতিবন্ধীর জমি জবর দখল একধিকবার নির্যাতন ও প্রাণনাশের হুমকি উল্টা শরণখোলা থানায় প্রতারক মালা বেগমের মিথ্যে অভিযোগ মানসিক প্রতিবন্ধী আজিমন নেছার ছোট ছেলে এনাম মুন্সীর নামে
এলাকাবাসী বলেন এই কুখ্যাত কুলাঙ্গার মোস্তফা কামাল মুন্সী প্রতারক সন্ত্রাসী বাহিনীর মূল ব্যবসা হলো চুরি ছিনতাই পকেটমার দেহ ব্যবসা জমি জবর দখল করা প্রতারণা করে মানুষের সম্পদ ও টাকা পয়সা হাতিয়ে নেয়া সহ এলাকার সুন্দরী নারী ও তরুণ তরুণীদের টার্গেট করে তাদের সাথে ছলে বলে কৌশলে শারীরিক সম্পর্ক গড়েতুলে চক্রটি তার পর ব্লাকমেল করে দীর্ঘদিনধরে করা হয় একাধিক বার ধর্ষণ, লোক মূখে জানাজানির পরে হয়ে যায় স্বামী পরিত্যক্তা নারী কিছু দিন ধর্ষণকরে পাঠানো হয় ঢাকার শহরের বিভিন্ন স্থনে পতিতাবৃত্তি করতে। কিছু দিন পূর্বে বাংলা বাজারে প্রতারক সন্ত্রাসী চক্রের গডফাদার মোস্তফা কামাল মুন্সীকে এক নারীর সাথে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পায় এলাকাবাসী সেই ভিডিও মোবাইলে ধারণ করে দেয়া হয় তাদেরকে কঠিন গণধোলাই, গণধোলাই দিয়ে সোপর্দ করেন পুলিশে । এই সন্ত্রাসী চক্রের আরেক সদস্য আঃ আলিম ও মালা বেগম মানসিক প্রতিবন্ধী আজিমন নেছার পৈত্রিক ও কবলা মূলে কেনা জমিজমা, প্রতারণা মূলক ভাবে সন্ত্রাসী চক্রের যোগসাজসে জালিয়াতি ও জবর দখল করে, প্রতিবেশী হেমায়েত হাওলাদারকে দখল করিয়ে দেয় ,চক্রটি পাগলের জমির দলিল আত্বসাত ও পাগলের ঘরের চোরাইকৃত মালাম জমিজামা সহ হেমায়েত হাং এর কাছে রেখে প্রতারক মালা ও আঃ আলিম বর্তমানে রায়েন্দার বাজারে পূর্ব মাথায় মিষ্টির ঠোঙ্গার তৈরি কারখানা করেন সেখানে কাজের কথা বলে ঐ এলাকার নারী ও বিভিন্ন তরুণ তরুণীদের প্রবেশ করানো হয় এবং দেয়া হয় কুপ্রস্তাব কুপ্রস্তাবে রাজি নাহলে করা হয় জোরপূর্বক ধর্ষণ, আর জোরপূর্বক ধর্ষণ কালে এলাকাবাসী খবর পেয়ে আপত্তিকর অবস্থায় আঃ আলিমকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেন এলাকাবাসী। চক্রের সদস্য দেহব্যবসায়ী পতিতা শাহীদা বেগম ও সন্ত্রাসী পকেটমার কাওছার মুন্সী হলেন চক্রের গডফাদার মোস্তফা কামালের আপন বড় ভাইয়ের সন্তান , এদের নেটওয়ার্ক বিস্তার ভারত বাংলাদেশের সহ দেশের বিভিন্ন এলাকায়, স্থানিও বাংলা বাজার এলাকায় পাগল আজিমনের পৈত্রিক জমিজমা ৩০ /৪০ বছর জোরকরে দখলে পকেটমার কাওছার মুন্সী ও দেহ ব্যবসায়ী শাহীদা বেগম পাগলের জমি আজ দিবে কাল দিবে বলে ওয়াদা দিয়ে যাইতেছেন আবার বলে দেহ ব্যবসায়ী শাহীদা বেগমের স্বামী ফারুক ফরজী সৌদি আরব থেকে আসলে জমি ফিরিয়ে দিবে বলে কয়েকবার ওয়াদা দেয় সন্ত্রাসী চক্রের সদস্যরা ফারুক ফরাজী সৌদি থেকে কয়েক বার বাংলাদেশে আসলেও জমি ফিরিয়ে দেননি সন্ত্রাসী চক্রটি পাগলের ছেলে মেয়েরা নিজেস্ব সম্পত্তির কোন কিছু দাবি করিলে তাদের উপর চলে অমানুষিক নির্যাতন অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ সহ হত্যা করার হুমকি দেয় সন্ত্রাসী বাহিনী।এই প্রতারক চক্রের অনেক ক্ষমতা এরা যে কোন স্থানে পকেটমার ছিনতাই চুরি ডাকাতি ধর্ষণ পতিতাবৃত্তি সহ মানুষকে মেরে জখম করার পারে জনগণ সোচ্চার হয়ে গণধেলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করলে কিছু সময়ের মধ্যে টাকার বিনিময়ে ছুটে আসে এরা। যানা গেছে এই প্রতারক সন্ত্রাসী চক্রের গডফাদার মোস্তফা কামাল মুন্সী শরনখোলা উপজেলার প্রভাবশালী নেতাদের সাথে খুব ভাল সম্পর্ক কিছু হলেই নেতাদের ভয় দেখায় অসহায় মানুষকে প্রতারক চক্রের গডফাদার মোস্তফা কামাল মুন্সী। এলাকাবাসী আরো বলেন কুখ্যাত প্রতারক চক্রের গডফাদার মোস্তফা নাকি একবার মেম্বার পদে প্রার্থি হয়ে দাড়িয়ে ছিলেন নির্বাচনে পাখা মার্কায়। এলাকার জনগণ তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছেন তিনি নাকি লুচ্চা লম্পট প্রতারক নারীধর্ষণকারী সন্ত্রাসী সুন্দরী নারী ও তরুণ তরুণীদের প্রেমের জালে ফাসিয়ে ধর্ষণ করেছন অনেক নারীকে ধরা পরলে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে দিয়েছেন কয়েক বার এলাকাবাসীরা। , তিনি বহু নারীর সতীত্ব ও সংসার নষ্ট করেছেন,
তার কাছে কে মা কে মেয়ে কে ভাতিজি জেঠসের মেয়ে কে বোন কে বউ কোন ভেদাভেদ নাই তার কাছে। নিজের বয়সের চেয়ে বড় নারীদের সাথে বোনের সম্পর্ক করে তার সাথে চলে বছর কে বছর অসামাজিক কার্যক্রম তাদের লজ্জা শরম কিছুই নাই তারা নির্লজ্জভাবে চলাফেরা করে একাধিক ধরা পড়ার পরেও । এর মতো কুলাঙ্গার লুচ্চা লম্পট সন্ত্রাসী যদি মেম্বার নির্বাচিত হয় তাহলে এলাকার মেয়ে মানুষ ও সরকারি সম্পদ সবই তার দখলে চলে যাবে তাই সকলে তার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে একটি ভোট দেয়নি তাকে সুধু তার পরিবারের ৪ থেকে ৫ টি ভোট দিয়েছেন।
এই লুচ্চা ভন্ড প্রতারক গডফাদার মোস্তফা কামাল মুন্সী
ভুক্তভোগী মানসিক প্রতিবন্ধী আজিমন নেছার ছেলে মোঃ এনাম মুন্সী (২৮) সাংবাদিকদের বলেন সন্ত্রাসী পকেটমার ভন্ড প্রতারক চক্রের নির্যাতন নিপীড়নে আমাদের জীবন এখন বিপন্ন আমরা মানবতার জীবন যাপন করছি আমাদের জীবনের কোন নিরাপত্তা নাই সম্পত্তির জন্য যেকোনো সময় আমাদের হত্যা করতে পারে প্রতারক সন্ত্রাসী মোস্তফা কমাল বাহিনীর সদস্যরা। প্রায় এক মাস পূর্বে আমি প্রতারক চক্রের গডফাদার মোস্তফা কামাল মুন্সীর কাছে ফোন করে বলেছিলাম কাকা আপনি এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তি আপনার কাছে আমার একটা দাবি আমার মায়ের নামিও জায়গা জমি সব আপনার বড়ভাইয়ের ছেলে ও মেয়ে কাওছার মুন্সী এবং শাহীদা ও মালা বেগমের দখলে শুনেছি আমাদের জমি প্রতিবেশী হেমায়েত ভাইয়ের কাছে বিক্রি করবে বলে শুনেছি আপনার কাছে একান্ত দাবি আমার আমাদের ঐ জমি কেহই যেন বিক্রি করতে না পারে আপনি একটু খেয়াল রাখবেন আমাদের মাথা গোজার ঠাই নাই ঐ জমি টুকুই আমাদের শেষ সম্বল মোস্তফা মুন্সী মধুর সুরে বলেন বাবা তুমি ঢাকা থেকে কবে আসবে বাড়িতে আমি বলেছি ১০ দিন পারে আসবো বাড়িতে, মোস্তফা কামাল বলেন বাড়িতে আসলে আমার কাছে এসো গোপন কথা আছে আমি বড়ীতে গিয়ে তার সাথে দেখা করি আমার সাথে কোনো কথা না বলে আমার নামে থানায় মিথ্যা অভিযোগ দেয় প্রতারক সন্ত্রাসী চক্রের সদস্যরা। অভিযোগের বাদী হয় প্রতারক মালা বেগম এই চক্রের যোগসাজসে আমার সাথে থানায় বৈঠকে বসার কথা যানায় শরনখোলা থানা পুলিশ তাদের পরিকল্পক ছিল আমার বড় ধরনের ক্ষতি সাধন করা কিন্তু তাদের মিথ্যা অভিযোগের প্রমাণ দেখাই শরনখোলা থানা অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ ইকরাম হোসেন স্যারকে প্রতারক সন্ত্রাসী চক্রের অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হয় অফিসার ইনচার্জ প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ ও জিডি করতে বলেন । বহুদিন পূর্বে আমার মা আজিমন নেছকে কুলাঙ্গার মোস্তফা কামালের মা ডেকে নিয়ে তার মাথায় গরুর গোবর ও গোমুত্র এবং মানুষের মুত্র মিশিয়ে চিকিৎসার নামে আমার মায়ের মাথায় জোর করে দিয়ে দেয় সেই থেকে আমার মা মানসিক রুগীতে পরিনত হয়। আমাদের পরিবারের উপর চলে নির্যাতন নিপীড়ন এই চক্রের যোগসাজসে। প্রতারক চক্রের সদস্য কুখ্যাত ডাইনি জাহানারা বেগম আমাদের জমির দলিল প্রতারণা করে নিয়ে জমি জালিয়াতি করে তাদের নামে রেকর্ড করে নিয়েছে আমাদের জমি। আমরা একাধিকবার দলিল ও সম্পত্তি দাবি করিলে আমাদের শিশু বাচ্চা সহ আমাদেরকে একাধিকবার মারপিট ও ঘর বাড়ি বাংচুর করে এবং আমার ঘরে প্রতারক চক্র ঢুকে ধর্ষণ ও হত্যা করার প্রকাশ্যভাবে হুমকি ছিয়েছে যাহা এলাকায় বহু সাক্ষী আছে জিবনের নিরাপত্তার জন্য থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ জিডি গ্রহণ করেনা। যখন সত্যর সাথে অসত্যের লড়াই হয় তখনই সত্য একা দাড়ায় আর অসত্যের বাহিনী হয় বিশাল কারণ তার পিছনে মূর্খ লোভী স্বার্থপর ও বিশ্বাসঘাতকেরা থাকে। বাংলাদেশ সরকার ও প্রশংসানের কাছে আমাদের দাবি এই যে ঐ কুখ্যাত সন্ত্রাসী মোস্তফা কামাল বাহিনীর বিরুদ্ধে তদন্ত করে ন্যয় বিচার ও গরিব অসহায় মানসিক প্রতিবন্ধীর সম্পত্তি ফিরিয়ে দেয়ার আবেদন করছি।

