সম্পাদক

স্টাফ রিপোর্টার:

অনির্বাণ-এর ৩য় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে গত শুক্রবার জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে নরসিংদীতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করলো সমাজ সেবামূলক সংগঠন “অনির্বাণ”।

নরসিংদী জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভা, কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা, সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট নূরুল হক আফ্রাদ মিলন। অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ছিলেন নরসিংদী ইনডিপেনডেন্ট কলেজের অধ্যক্ষ ড. মশিউর রহমান মৃধা এবং প্রধান আলোচক হিসেবে ছিলেন নবধারা প্রি স্কুল এর চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন অনিক।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা করেন অনির্বাণ এর সভাপতি মোঃ মাহমুদুল হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান আলোচক বলেন, শিক্ষার্থীদের কৃতিত্বের মূল্যায়ন করলে তারা বেশি বেশি উৎসাহ পায় এবং আরও উদ্যমী হয়ে ওঠে। শিক্ষর্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনে সফলতাকে আরও বেগবান করতে আমাদের আজকের আয়োজন। 

অনুষ্ঠানের উদ্বোধক বলেন, আজকের শিক্ষার্থী আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। শিক্ষার্থীদের মেধা মননে যথাযথ বিকাশের জন্য লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলায়ও মনোযোগী হতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে মানসম্মত শিক্ষক ছাড়া মানসম্মত শিক্ষার্থী গড়ে তোলা সম্ভব না।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বলেন, তোমাদের একটাই পরিচয়, তোমরা মেধাবী, কৃতী শিক্ষার্থী। যদি নিজেদের উপর আত্মবিশ্বাস রাখো, তাহলে তোমরা অবশ্যই নিজেদের স্বপ্ন পূরণে সফল হবে। তিনি আরও বলেন, নিজেকে পরিবর্তনের জন্য নিজের ইচ্ছাশক্তিই যথেষ্ট। ভালো মানুষ হতে হবে। এজন্য মূল্যবোধ ও মানবিকতা থাকতে হবে। থাকতে হবে স্বপ্নজয়ের প্রতিজ্ঞা।

অনির্বাণ এর সভাপতি মোঃ মাহমুদুল হাসান বলেন, বিপুল সম্ভাবনার দেশ বাংলাদেশের বিপুল সম্ভাবনার কৃতী শিক্ষার্থী তোমরা। এ দেশকে তোমরাই এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে। জীবনে প্রতিষ্ঠিত হয়ে নিজেদের স্বপ্ন সফল করার পাশাপাশি দেশের প্রতি ঋণ শোধ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সাংবাদিক হলধর দাস, শিক্ষক সাংবাদিক মনজিল এ মিল্লাত, লেখক সগীর আহমেদ সরকার, নাসিব এর জেলা সভাপতি কে এম রুস্তম আলী, নারী উদ্যোক্তা কামরুন্নাহার বেগম, চিত্র শিল্পী বিদ্যুত ভৌমিক, অধ্যাপক আজাহার হোসেন প্রমুখ। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষক এবং সংবর্ধিত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকগণ উপস্থিত ছিলেন।

কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পর্ব পরিচালনায় ছিলো সঞ্চারী শিল্পকলা বিদ্যালয় ও কার্য পরিচালনায় ছিলেন সঞ্চারী শিল্পকলা বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা, তানভীর আহমেদ শাওন।

এরপর অনুষ্ঠানের শেষে দেরশতাধিক জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট ও সনদ প্রদানের মাধ্যমে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।