সম্পাদক

নিউজ ডেস্কঃ

এ পর্যন্ত ৪০ হাজার ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ত্রুটি পাওয়া গেছে। ত্রুটিপূর্ণ ইভিএমগুলো মেরামতের জন্য বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরিতে পাঠানো হচ্ছে। এ ছাড়া ত্রুটিমুক্ত ১ লাখ ১০ হাজার ইভিএম ভোটের জন্য প্রস্তুত রাখা আছে। দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে এ হিসাব করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ইভিএম প্রকল্পের পরিচালক কর্নেল সৈয়দ রাকিবুল হাসান নির্বাচন ভবনের নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়ে তিনি বলেন, হাতে থাকা ইভিএম দিয়ে ৫০ থেকে ৭০টি আসনে ভোট করা সম্ভব হতে পারে। তবে এখনো তা চূড়ান্ত করে বলার সুযোগ নেই।

নতুন করে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) কেনার প্রকল্প স্থগিত হওয়ায় নিজেদের কাছে থাকা দেড় লাখের মতো ইভিএম থেকে কতটি ঠিক করা যায় সেজন্য জোর চেষ্টা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী নির্বাচনে সর্বোচ্চ দেড় শতাধিক আসনে ইভিএমে ভোট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু অর্থনৈতিক মন্দার কারণে পরিকল্পনা কমিশন নতুন করে ইভিএম কিনতে ও ব্যবস্থাপনার জন্য ৮ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প স্থগিত করেছে।

দেড় লাখ ইভিএমের মধ্যে ৭০ হাজার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরিতে (বিএমটিএফ) সংরক্ষিত রয়েছে। ৮০ হাজার মেশিন মাঠপর্যায়ে বিভিন্ন নির্বাচনে ব্যবহার হয়েছে। মাঠপর্যায়ে ৮০ হাজার ইভিএমের মধ্যে ৪০ হাজার হার্ড বক্সে পাঠানো হয়েছিল। বাকি ৪০ হাজার পাঠানো হয়েছিল কাগজের বক্সে, সেগুলো কোয়ালিটি চেকিং করা হচ্ছে।

বিভিন্ন সময় ভোটের পর সঠিকভাবে সংরক্ষণ না করাসহ অযত্ন-অবহেলায় ত্রুটিপূর্ণ ইভিএমগুলো অকেজো হয়ে গেছে বলে দাবি করেন, কর্নেল সৈয়দ রাকিবুল হাসান।একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ছয়টি সংসদীয় আসনসহ বিগত পাঁচ বছরে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন সিটি করপোরেশন এবং বেশিরভাগ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইভিএমের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ হয়েছে।