সম্পাদক

বিনোদন ডেস্কঃ

সাবলীল ও নান্দনিক অভিনয় নৈপুণ্যে জনপ্রিয়তার শীর্ষে ছিলেন কিংবদন্তি অভিনেতা হুমায়ুন ফরীদি। নিজের অভিনয় দক্ষতায় জায়গা করে নিয়েছেন দর্শকদের মণিকোঠায়। ২০১২ সালে ১৩ ফেব্রুয়ারি সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান দাপুটে এই অভিনেতা। আজ হুমায়ুন ফরীদির প্রয়াণের দশ বছর।

মঞ্চ, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র এই তিন মাধ্যমেই দাপটের সঙ্গে অভিনয় করে সমান জনপ্রিয়তা অর্জন করেন গুণী এই অভিনেতা।

হুমায়ুন ফরীদি সত্তরের দশকে ঢাকা থিয়েটারের মাধ্যমে মঞ্চে অভিনয় শুরু করেন। কীত্তনখোলা, কিরামত মঙ্গলসহ বেশ কয়েকটি মঞ্চ নাটকে তার অভিনয় নজর কাড়ে দর্শকদের।

আশির দশকে কোথাও কেউ নেই, সংশপ্তক, ভাঙনের শব্দ শুনি, টিভি নাটকে অভিনয় করে ব্যাপক সাড়া পান তিনি। এরপর ‘৯০-এর দশকে পা রাখেন চলচ্চিত্রে জগতে। সেখানেও মুগ্ধতা ছড়ান হুমায়ুন ফরীদি। বাংলা চলচ্চিত্রে তার খলনায়কের চরিত্র যোগ করে ভিন্নমাত্রা।

২০০৪ সালে ‘মাতৃত্ব’ ছবির জন্য সেরা অভিনেতা শাখায় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন তিনি। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নাট্যাঙ্গনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রতিষ্ঠানের ৪০ বছরপূর্তি উপলক্ষে তাকে সম্মাননা প্রদান করেন হুমায়ুন ফরীদিকে।

গুণী এই অভিনেতার উল্লেখযোগ্য ছবিগুলো হচ্ছে- বীরপুরুষ, আজকের হিটলার, ভণ্ড, লড়াকু, অধিকার চাই, মায়ের অধিকার, সন্ত্রাস, দহন, দিনমজুর, বিশ্বপ্রেমিক, দুর্জয়, শাসন, আনন্দ অশ্রু, আসামি বধূ, একাত্তরের যীশু, প্রাণের চেয়ে প্রিয়, কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টি, প্রবেশ নিষেধ, মিথ্যার মৃত্যু, ব্যাচেলর, শ্যামল ছায়া ও মেহেরজান প্রভৃতি।