ওমর ফারুক

স্টাফ রিপোর্টার:

ঋতুরাজ বসন্তের আগমনে দল দেখা যাচ্ছে গাছে গাছে আমের মুকুল। পাল্টে যাচ্ছে প্রকৃতি, যোগ হচ্ছে নতুন মাত্রা। চারিদিকে এখন সবুজের সমাহার। এর-ই মধ্যে
সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে লাল সাদা বাহারি রঙের মুকুল বেরহয়ে গাছগুলোকে শোভনীয় করে তোলেছে। এই মুকুলের সুবাসে মুগ্ধ হয়ে মৌমাছিরা গুণ গুণ শব্দে মুখরিত হয়ে উঠছে।

জেলা সদর থেকে শুরু করে গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন বাসা-বাড়ি, অফিস-আদালত ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গণে দেখা যায় থোকা থোকা আমের মুকুলের চিত্র। দখিনা হাওয়ায় প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে মৌ মৌ গন্ধ। একই সঙ্গে লেবু, লিচু ও কাঁঠাল গাছেও উঁকি দিচ্ছে নানা রঙের মুকুল। যেন প্রকৃতির খেয়ালে আবহমান গ্রামবাংলায় ধারণ করেছে নতুন রূপ। শেরপুর শহরের বসতবাড়ি, অফিস-আদালত ছাড়াও বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হয় দেশি-বিদেশি বিভিন্ন জাতের আম। গত বছরের তুলনায় এ বছর প্রতিটি আমগাছে আশানুরূপ মুকুল লক্ষকরা যাচ্ছে। ফলে ইতোমধ্যে আম গাছগুলোতে ওষুধ প্রয়োগসহ নানামুখী পরিচর্যা শুরু করছেন কৃষকরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, গ্রামের প্রায় প্রতিটি এলাকাতেই মুকুল থেকে গুটি আম আসতে শুরু করেছে। অনেকেই আম গাছের পরিচর্যায় সময় দিচ্ছেন। কেউ কেউ গাছের উপরে নেট দিয়েছেন, আবার অনেকে পোকামাকড়ের হাত থেকে আম বাঁচাতে কীটনাশকও স্প্রে করছেন । বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এ বছর আমের ভালো ফলনের আশা করছেন সবাই।

জেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানাগেছে আম চাষিদের লাভবান ও ভালো ফলনের জন্য পরামর্শ দেওয়ার
পাশাপাশি মাঠ পর্যায়ে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। যাতে করে তারা অধিক ফল উৎপাদনের মাধ্যমে বাজারজাত করতে পারে।