ওমর ফারুক

স্টাফ রিপোর্টার:

আওয়ামী লীগ দিবে। আওয়ামী লীগকে ভয় দেখিয়ে, মাননীয় দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে ভয় দেখিয়ে, কোন লাভ নাই। তিনি রক্তে মাংসে গড়া মানুষ মনে হলেও তাঁর শরীরের প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ইস্পাতের মতো দৃঢ়। যে ইস্পাতকে ধ্বংস করা যায় না, তাঁকে ১৯ বার হত্যা চেষ্টা করেছেন, মহান সৃষ্টিকর্তার কৃপায় তাঁকে হত্যা সম্ভব হয় নি। দেশ গড়তে ও বাংলার মানুষের উন্নয়নের আরো কাজ বাকি আছে, সৃষ্টিকর্তা তাঁকে দিয়ে সে সকল কাজ করাবেন বলেই তিনি বার বার মৃত্যুর হাত থেকে ফিরে এসেছেন।

তিনি তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রী হেনরি কিসেঞ্জারের বাংলাদেশ তলা বিহীন ঝুড়ি মন্তব্যের প্রসঙ্গে বলেন, বাংলাদেশ এখন ফুলে ফলে পরিপূর্ণ একটি জাতিতে পরিনত হয়েছে, বাংলাদেশ এখন খাদ্যে পরিপূর্ণ, আমরা রপ্তানি করতে পারি, আমরা দেশের বাইরে কোন দুঃস্থ দেশকেও সাহায্য করতে পারি, আমরা শ্রীলঙ্কাকে ঋন দিয়েছি, বাংলাদেশ নেপালকে সাহায্য দিয়েছি। এতে করে প্রতিয়মান হয় যে, হেনরি কিসেঞ্জারের মন্তব্য মিথ্যা বলে প্রমানিত করেছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াতের নরপিশাচরা যারা দেশটাকে ভিক্ষুকের জাতিতে পরিনত চায়। তাদের একজন অর্থমন্ত্রী ছিলেন সাইফুর রহমান, বাড়ি সিলেটে। তিনি একটি মন্তব্য করেছিলেন দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়া ভালো না, তাহলে বিদেশের সাহায্য কমে যায়, এটা কি কোন বিবেকবান মানুষের কথা? এটা কি দেশের আত্মসম্মানবোধ সম্পন্ন মন্ত্রীর কথা হতে পারে? আসলে বিএনপি জাতিকে ভিক্ষুক করে রাখতে চাই যাতে করে বিদেশ থেকে সাহায্য এনে তাদের নেতাকর্মীদের উদরপূর্তি করে হৃষ্টপুষ্ট করতে চাই। দেশ ও জনগণ চুলোয় যাক, এটাই হলো বিএনপি’র রাজনীতি।

তিনি আরো বলেন, সরকারের কৃষি বান্ধব নীতির ফলে যে সব চরে বালির পর বালি, ধু ধু বালি চর, লালমনিরহাট-তিস্তা-যমুনার চর সহ বিভিন্ন এলাকায় শুধু বালি ছাড়া আর কিছু নাই, সেসব এলাকায় মিষ্টি কুমড়া, লাউ সহ বিভিন্ন কৃষি পন্য উৎপাদন হচ্ছে, এটি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা’র তীক্ষè বুদ্ধি ও তীক্ষè মেধার ফলে সম্ভব হয়েছে।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বিএনপি’র ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সজাগ থাকতে হবে, তারা যেন দেশে কোন রকম সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করতে পারে। তাদের সকল ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত নসাৎ করে দিয়ে আগামী ২০২৪ সালের নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনা’র নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলবে।

রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামালের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকারের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বেগম আখতার জাহান, রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহসানুল হক পিন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক মীর ইশতিয়াক আহমেদ লিমন, বোয়ালিয়া (পূর্ব) থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল কুমার ঘোষ, মহানগর শ্রমিক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ওয়ালী খান, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আব্দুল মমিন, মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি নূর মোহাম্মদ সিয়াম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সভাপতি গোলাম কিবরিয়া।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, রাজশাহী মহানগরের যুগ্ম সম্পাদক মোস্তাক হোসেন, দপ্তর সম্পাদক মাহাবুব-উল-আলম বুলবুল, প্রচার সম্পাদক দিলীপ কুমার ঘোষ, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মীর তৌফিক আলী ভাদু, আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. মুসাব্বিরুল ইসলাম, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক রবিউল আলম রবি, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ইয়াসমিন রেজা ফেন্সি, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মকিদুজ্জামান জুরাত, শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক ওমর শরীফ রাজিব, উপ-দপ্তর সম্পাদক পংকজ দে,

সদস্য জহির উদ্দিন তেতু, নজরুল ইসলাম তোতা, শাহাব উদ্দিন, আশরাফ উদ্দিন খান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ আব্দুল মান্নান, আতিকুর রহমান কালু, সৈয়দ হাফিজুর রহমান বাবু, আব্দুস সালাম, মজিবুর রহমান, ইসমাইল হোসেন, বাদশা শেখ, আলিমুল হাসান সজল, জয়নাল আবেদীন চাঁদ, ইউনুস আলী, মোখরেশুর রহমান কচি, মাসুদ আহমদ, কে এম জুয়েল জামান, থানা আওয়ামী লীগের মধ্যে রাজপাড়ার থানার সাধারণ সম্পাদক শেখ আনসারুল হক খিচ্চু, বোয়ালিয়া (পূর্ব) থানার সাধারণ সম্পাদক শ্যামল কুমার ঘোষ,

বোয়ালিয়া (পশ্চিম) থানার সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান রতন, মতিহার থানার সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন, নগর কৃষক লীগ সভাপতি রহমত উল্লাহ সেলিম, নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সাধারণ সম্পাদক জেডু সরকার, নগর মহিলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক কানিফ ফাতেমা মিতু, নগর যুব মহিলা লীগ সাধারণ সম্পাদক নিলুফার ইয়াসমিন নিলু, নগর ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক ডাঃ সিরাজুম মুবিন সবুজ, নগর তাঁতী লীগ সভাপতি আনিসুর রহমান আনার, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনু সহ নেতৃবৃন্দ