
নিউজ ডেস্কঃ
রাজধানীর পূর্বাচলে জমে উঠেছে চার দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক প্লাস্টিক পণ্য মেলা-২০২৩।
বুধবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটিতে শুরু হওয়া মেলা শেষ হবে শনিবার।
এবার মেলায় বিশ্বের ২১টি দেশের ৫৭৪টি কোম্পানি পণ্য ও টেকনিক্যাল মেশিন নিয়ে অংশ নিয়েছে।
মেলায় নতুনত্বের শেষ নেই। ঝুড়ি, মগ, সিল ট্যাগ ও বালতির মতো গতানুগতিক পণ্য তো রয়েছেই। বাদ পড়েনি কাঁচামাল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানও। প্রযুক্তির ছোঁয়াও লেগেছে মেলার প্রায় সব স্টলে।
মেলায় নানান প্রযুক্তি আসায় উদ্যোক্তারা ভিড় করছেন। তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, ডলার সংকটে ঋণপত্র খুলতে না পারায় পণ্য উৎপাদন করতে দেরি হচ্ছে।
ইমটেক্স গ্রুপের ব্যবস্থাপক হামিদুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, চীন, তাইওয়ান ও মালয়েশিয়া থেকে আমরা যন্ত্র কিনি। স্থানীয়ভাবেও আমরা উৎপাদনে যাচ্ছি। স্থানীয় উৎপাদনে যন্ত্রের উৎপাদন অনেক উন্নত। এই মুহূর্তে আমাদের দেশে যেহেতু ডলারের সমস্যা হচ্ছে, সেক্ষেত্রে আমরা যদি স্থানীয়ভাবে সহযোগিতা দিতে পারি তাহলে সবার উপকার হয়।
বাংলাদেশ প্লাস্টিক দ্রব্য প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিপিজিএমইএ) সভাপতি সামিম আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, মেলায় ক্রেতাদের মাঝে প্লাস্টিক পণ্যের পরিচিতি ঘটছে। ক্রমান্বয়ে প্লাস্টিক পণ্যে নতুন প্রযুক্তির সংযোজন বাড়ছে। এখন প্লাস্টিক পণ্য দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে। এ ধরনের মেলা প্লাস্টিক পণ্যকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে তুলে ধরছে। যা বাজার সম্প্রসারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। মেলায় অনেক স্পট অর্ডার, পণ্য বিক্রি এবং আধুনিক মেশিনারির জন্য যোগাযোগ স্থাপিত হবে। বাংলাদেশি প্লাস্টিক সেক্টরের জন্য এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
এর আগে, বুধবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে মেলার উদ্বোধন করেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ ও ইয়র্কার ট্রেড অ্যান্ড মার্কেটিং সার্ভিসের সভাপতি জুডি ওয়াং।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী বলেন, প্লাস্টিক খাতের উন্নয়নে সব ধরনের সহায়তা দিতে সরকার প্রস্তুত। আমরা এ খাতে প্রচুর সম্ভাবনা দেখছি। ইতোমধ্যে বাংলাদেশের প্লাস্টিক পণ্য বিদেশে জায়গা করে নিয়েছে। এ ক্ষেত্রে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর অবদান সবচেয়ে বেশি।
তিনি বলেন, মুন্সীগঞ্জে আমরা ১০ একরের একটি প্লাস্টিক শিল্পপার্ক করছি। কেমিক্যালের জন্য আলাদা শিল্পপার্ক হচ্ছে। এই খাতকে পুরোপুরি কমপ্লায়েন্সের মধ্যে আনার পরিকল্পনা বর্তমান সরকারের রয়েছে।
অনুষ্ঠানে এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে প্রতিবছর তিন শ’ কোটি ডলারের প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানি করতে হবে। এখন হচ্ছে ১০০ কোটি ডলারের কিছু বেশি। এ খাতকে এগিয়ে নিতে প্লাস্টিক বর্জ্য রিসাইকেলের পাশাপাশি কমপ্লায়েন্স কারখানা ও নীতি সহায়তা নিয়ে সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে।
সম্পাদক- আবদুর রহমান
Web:https://bangladeshamar.com/ Email: doinikbangladeshamar@gmail.com
Address: F-8, KA-90,JHK WINDCEL, KURIL KAZI BARI,VATARA,DHAKA-1229.
Copyright © 2026 বাংলাদেশ আমার. All rights reserved.