সম্পাদক

নিউজ ডেস্কঃ

স্যান দিয়েগোয় বৈঠকে বসেছেন অ্যামেরিকা, অস্ট্রেলিয়া এবং যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রপ্রধানেরা। সেখান থেকেই নতুন পরমাণু পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে। বস্তুত, ২০২১ সালে তৈরি হওয়া এইউকেইউএস জোটের এটাই প্রথম প্রকল্প।ইন্দো-প্যাসিফিক এলাকায় চীনের দাপট কমাতেই এই পরিকল্পনা বলে দাবি। ক্ষুব্ধ চীন।

মার্কিন রাষ্ট্রপতি জো বাইডেন জানিয়েছেন, ইন্দো-প্যাসিফিক এলাকায় চীন ক্রমশ ক্ষমতা বাড়াচ্ছে। যা ক্ষমতার ভারসাম্য নষ্ট করছে। সে কারণেই অস্ট্রেলিয়ার সৈকতে পরমাণু সাবমেরিন রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর ফলে ওই এলাকায় চীনের একচ্ছত্র ক্ষমতা কমবে বলেই মনে করছে অ্যামেরিকা।

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, তিন দেশের সহযোগিতায় নতুন প্রকল্প শুরু হবে। মার্কিন টেকনোলজিতে তৈরি হবে এই সাবমেরিন। অস্ট্রেলিয়া এবং যুক্তরাজ্য সাবমেরিন তৈরি করবে।

ইন্দো-প্যাসিফিক এলাকায় চীনের ক্ষমতা কমাতেই ২০২১ সালে এইউকেইউএস জোট তৈরি হয়েছিল। তখনো চীন এই জোটের বিরোধিতা করেছিল। এদিনের সিদ্ধান্ত জানার পর  চীন ফের চূড়ান্ত আপত্তি প্রকাশ করেছে। চীনের বক্তব্য, অস্ট্রেলিয়ার হাতে কোনো পরমাণু অস্ত্র নেই। পরমাণুহীন রাষ্ট্রের হাতে পরমাণু শক্তি তুলে দেওয়া আন্তর্জাতিক আইন এবং চুক্তিবিরুদ্ধ। নতুন প্রকল্প সমস্যা বাড়াবে বলেই মনে করছে তারা। দ্রুত এই সিদ্ধান্ত ফিরিয়ে নেওয়ার আবেদন করেছে চীন।

এদিকে কোরিয়ার সাগরে সবচেয়ে বড় যৌথ সামরিক মহড়া শুরু করেছে দক্ষিণ কোরিয়া ও অ্যামেরিকা। যার উত্তরে একের পর  মিসাইল ছুঁড়ছে উত্তর কোরিয়া। চীনও এই মহড়া  ভালো চোখে দেখছে না।

এসজি/ জিএইচ (রয়টার্স