ওমর ফারুক

স্টাফ রিপোর্টার:
বৃহত্তর বান্দরবান পার্বত্য জেলার লামা উপজেলায় চলছে পাহাড়ি ও বাঙ্গালীদের ভোগ দখলীয় আবাদিয় বন্ধোবস্তি প্রাপ্ত জায়গা জবর দখলে মহোৎসব। অপর দিকে বিনা পারমিট ও রয়েলটিতে রাবার ও কাঠ পাচারের মাধ্যমে সরকারের কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি অব্যাহত রয়েছে ।
জানা গেছে ঢাকা ও চট্টগ্রামের কতিপয় ভুমিখেকু শিল্পপতি, এমপি, সাবেক এমপি, মন্ত্রী , সাবেক মন্ত্রী, সেনাবাহিনী, পুলিশবাহিনীর উর্ধতম কর্মকর্তা, বড় বড় কোম্পানীর রাঘব বোয়ালরা স্বনামে, বে- নামে ১৯০০ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসন বিধি লংঘন করে ভুয়া কাগজ পত্র তৈরীর মাধ্যমে মোটা অংকের নগদ নারায়ণের বিনিময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ম্যানেজ করে পার্বত্য জনবসতির অসহায় মগ,মুরুং আদিবাসী ও সেটেলারদের কে মিথ্যা হয়রানি মুলক মামলা হামলা এমন কি তাদের সাংগু- পাংগু ভাড়াটিয়া বাহিনী দিয়ে বাড়ি ঘর ও সৃজিত বনায়ন, অনাবাদি জংগলে আগুন লাগিয়ে ভস্মীভূত করে তথায় গায়ের জোরে ফলজ বনজ, রাবার বাগান সৃজন করে হাজার হাজার একর জায়গা জবর দখলের মহোৎসব চালিয়ে আসছে।
সুত্র আরো জানায় এসব অবৈধ বাগান মালিকগন অবৈধ উপায়ে দখল করা পাহাড়ি ও বাংঙ্গালীদের জায়গায় সৃজন করা রাবার বাগান হইতে প্রতি মৌসুমে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে নিজস্ব রারার ইন্ডাস্ট্রি থেকেই কোটি কোটি টাকার রাবার বিনা রয়েলটিতে পাচার অব্যাহত রেখেছে। অপর দিকে তাদের সৃজিত বনায়ন থেকে বিনা পারমিটে কাঠ পাচার করে সরকারের কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে আসছে। এ ব্যাপারে পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন (বাপা) পরিবেশ রক্ষা পরিষদ, মানবাধিকার ও সাংবাাদিক একাধিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দু সরকারের জরুরি আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছে।