সম্পাদক

নিউজ ডেস্কঃ

সাংসদপদ হারালেন রাহুল গান্ধী। বৃহস্পতিবার সুরাতের আদালত তাকে দুই বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়ার পর  শুক্রবার লোকসভা সচিবালয়ের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেয়া হলো, রাহুল গান্ধী আর সংসদ নন। আইনানুযায়ী, কোনো আদালত দুই বছর বা তার বেশিদিনের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিলে সাংসদ-বিধায়কের পদ খরিজ হয়ে যায়। সেই জনপ্রতিনিধি আইন অনুসারেই রাহুল তার সাংসদ পদ হারালেন।

এবার রাহুলের কেন্দ্র কেরালার ওয়ানাড়ে উপনির্বাচনের ব্যবস্থা করবে নির্বাচন কমিশন। রাহুল সেখানেও এখন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না। 

আইনজ্ঞরা জানিয়েছেন, উচ্চ আদালত যদি সুরাত আদালতের এই নির্দেশ খারিজ করে দেয়, তাহলে একমাত্র রাহুল গান্ধী আবার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন। ফলে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে রাহুল আদৌ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন কি না, সেই প্রশ্ন থেকে গেল। 

রাহুল ভোটের আগে জনসভায় বলেছিলেন, শুধু মোদীদের বিরুদ্ধেই কেন দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। তারপর গুজরাটের বিজেপি নেতা রাহুলের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন। সেই মামলায় রাহুলকে দোষী সাব্যস্ত  করে দুই বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে সুরাতের আদালত। 

লোকসভায় কংগ্রেসের নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেছেন, ”এটা পুরোপুরি সরকারের প্রতিহিংসামূলক কাজ। রাহুল ভারত জোড়ো যাত্রায় অসাধারণ সাড়া পেয়েছিলেন দেখে ভয় পেয়ে সরকার এই কাজ করলো।” প্রবীণ সংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিং বলেছেন, ”রাহুল গান্ধীকে সংসদে আদানি নিয়ে বলতেই দিল না বিজেপি। এবার তো সাংসদপদ নিয়ে নিলো। কিন্তু জনতার কাছে যাওয়া তো রুখতে পারবেন না মোদী-শাহ। কংগ্রেসের সব নেতা-কর্মী জনতার দরবারে যাবে।”