ওমর ফারুক

স্টাফ রিপোর্টার:

অর্থ দৈন্যতায় বিনা চিকিৎসায় জীবন দরজায় কড়া নাড়ে যখন মৃত্যু, অনর্থক তখন পৃথিবীর বাকিসব আয়োজন। যদিও এই শেষলগ্নেই কল্পনায় ধরা দেয় মায়াময় জগতের স্বর্ণালি অতীত।

বলা হচ্ছে ব্রেণ টিউমারে আক্রান্ত দরিদ্র অসহায় স্কুলশিক্ষার্থী শরীফ ইসলাম’র কথা। অন্য সকলের মতোই বাঁচার আশায় পৃথিবী ছেড়ে যেতে চান না শরীফ। সে নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় সবে দশম শ্রেণিতে অধ্যায়নরত।

কিন্তু জীবনের এ পর্যায়ে (বয়সে) এসেই শরীফ কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি আজ। যদিও রয়েছে তার বাঁচার আকুতি কিন্তু দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছে আর্থিক ক্রাইসিস। চা বিক্রেতা পিতার সন্তান হয়ে ঠিকমতো করাতে পারছেন না চিকিৎসা।

এদিকে অপারেশনের টাকা সংগ্রহ করতে না পারায় সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে জীবন-মৃত্যুর কার্ণিশে শরীফ’র জীবন। যদিও মরতে চান না বরং সুস্থ হয়ে ফিরে যেতে চান বন্ধুবান্ধবের কাছে ও বিদ্যালয়ের ক্লাসে…

বলছিলেন শরীফ’র অসহায় বাবা চা বিক্রেতা শহীদুল ইসলাম। এনএনবি বাংলাকে তিনি জানান, টানাপোড়েনের সংসারে স্ত্রী ছাড়াও দুই মেয়ে ও এক ছেলেসহ মোট পাঁচ সদস্য।

তারমধ্যে একমাত্র ছেলে ব্রেণ টিউমার আক্রান্ত হয়ে পড়ে আছেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের বিছানায়। অপারেশন করানোর কথা থাকলেও অর্থাভাবে হচ্ছে না।

কেন্দুয়া পৌরসভার দিগদাইর গ্রামের বাসিন্দা শহীদুল ছেলের চিকিৎসা করাতে না পেরে দিকভ্রান্ত হয়ে পড়েছেন। ছেলের চিকিৎসা, ছেলের সুস্থতায় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে বাবা শহীদুল, মা রুজিনা আক্তার, দু’জনই মানুষের দুয়ার থেকে দুয়ার ছুটছে দিগ্বিদি।

পহেলা মার্চ থেকে মমেকের বিছানায় শরীফ। অর্থের যোগান না দেখে মানসিকভাবে ক্রমেই অন্ধকারে তলিয়ে যাচ্ছেন গোটা পরিবার। একমাত্র আল্লাহর ইশারায় দেশের মানবিক মানুষের সহযোগিতায় বাঁচতে পারে শরীফ।

একমাত্র ছেলেকে বাঁচাতে সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন শহীদুল। তিনি আশাবাদী হৃদয়বান মানুষ সকলের সহযোগিতায় সুস্থ হয়ে ফের বিদ্যালয় আর খেলার মাঠ দাপিয়ে বেড়াবে শরীফ।

[সাহায্য পাঠাতে যেকোনো যোগাযোগে, শরীফ’র পিতা শহীদুল – ০১৯৩৪০৪৮১৭২]