
নিজস্ব প্রতিনিধি:
বাজারে যেভাবে বেড়েছে জিনিস পত্রের দাম, সে তুলনায় বাড়ে নি মাদ্রাসার হুজুরদের বেতন। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে কিভাবে দিন কাটছে তাদের?
প্রতিষ্ঠানটির নাম :দারুল কুরআন ইসলামিয়া নূরানী প্রি ক্যাডেট মাদ্রাসা। স্থান: গাজিপুর চৌরাস্তা বাইপাস যমুনা ট্যাঙ্ক নেটওয়ার্ক গার্মেন্টস এর দক্ষিণ পাশে, রওশন আলি সড়ক, গাজীপুর, ঢাকা।
তবে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে নানা ধরনের অভিযোগ রয়েছে। উল্লেখ্য, মাদ্রাসার মুহতামিম হাফেজ মাও: জহিরুল ইসলাম অর্থাৎ পরিচালক নাকি অনেক শিক্ষকদের বেতন দেন না। দিনের পর দিন এভাবেই নাকি তিনি শিক্ষকদের বেতন না দিয়ে চলে আসছেন। সেরকম একজন ভুক্তভোগী হলেন মোঃ সোহাইল আহমদ(২৩)। তিনি ২০২৩সালের জানুয়ারির ৬তারিখে উক্ত মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত হোন। প্রথম দিকে ঠিকঠাক ভাবে চললেও ধীরে ধীরে মাদ্রাসার পরিচালকের প্রকৃত চেহারা বেরিয়ে আসে। নতুন নিযুক্ত হওয়া মোঃ সোহাইল আহমদ শিক্ষকতার ১মাস পার হলে পরিচালক সাহেবের কাছে তার বেতনের জন্য আবেদন করে। মুহতামিম সাহেব তখন টাকা নেই, ১৫দিন পরে পাবেন এরকম নানা অজুহাত দেখিয়ে বেতন না দেওয়ার ভান করেন। ভুক্তভোগীর মা অর্থাৎ নতুন নিযুক্ত শিক্ষক সোহাইল ইসলামের মা অসুস্থ হওয়ায় টাকাগুলো নেওয়া তার প্রয়োজন ছিল। কিন্তু উক্ত মাদ্রাসার পরিচালক তার প্রয়োজন কে অবহেলা করে।
নতুন শিক্ষকতার প্রায় ২মাস কেটে গেলেও নিযুক্ত হওয়া সোহাইল ইসলাম তার প্রাপ্ত বেতন পান না। গত মার্চ মাসের ৯তারিখে সোহাইল ইসলামের মা গুরুতর অসুস্থ হওয়ায় পরিচালক সাহেবের নিকট বেতনের জন্য পুনরায় আবেদন করেন। তখন মাত্র তাকে ১৬০০টাকা দেওয়া হয়। তারপর ২সপ্তাহ পরে ভুক্তভোগী সোহাইল ইসলাম আবার তার গত দু-মাসের বেতনের জন্য আবেদন করেন। এবারেও তার আবেদন নাকচ করে দেয়া হয়।
ভুক্তভোগী নিরুপায় হয়ে মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটিকে জানান। পরে মাদ্রাসার পরিচালক এ খবর জানতে পেরে নতুন নিযুক্ত শিক্ষক সোহাইল ইসলাম কে খারাপ ভাষায় অকথ্য গালিগালাজ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। একসময় মাদ্রাসার পরিচালক সাহেব রেগে মোঃ সোহাইল ইসলামের উপর চড়াও হোন। পরে স্থানীয়রা তাকে বাধা দিয়ে থামিয়ে দেয়।
ঘটনা এতোদূরে গড়িয়েছে যে, পরিচালক সাহেব মাদ্রাসার বোডিং এর খাবারের মান ধীরে ধীরে কমিয়ে দিয়েছে। এছাড়া নতুন নিয়োগ প্রাপ্ত হুজুরদের নানা সময়ে চুরির অভিযোগ করে সর্বস্ব কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। সেই সাথে মাদ্রাসার অভিভাবকদের সামনে পরিচালক সাহেব হুজুরদের অপমানিত ও লাঞ্চিত করার চেষ্টা করে।
সম্পাদক- আবদুর রহমান
Web:https://bangladeshamar.com/ Email: doinikbangladeshamar@gmail.com
Address: F-8, KA-90,JHK WINDCEL, KURIL KAZI BARI,VATARA,DHAKA-1229.
Copyright © 2026 বাংলাদেশ আমার. All rights reserved.