ওমর ফারুক

স্টাফ রিপোর্টার:

সুন্দরবনে আত্মসমর্পণকারী ২৮৪ জন জলদস্যুদের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন র‍্যাব-৮ এর অধিনায়ক মাহমুদুল হাসান, পিবিজিএম, পিএসসি এবং
উপ-অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গত ০১ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে সুন্দরবনকে জলদস্যু মুক্ত ঘোষণা করেন। এখন শান্তির সু-বাতাস বইছে সুন্দরবনে। অপহরণ-হত্যা এখন তিরোহিত। জেলেদের কষ্টার্জিত উপার্জনের ভাগও কাউকে দিতে হচ্ছে না। মাওয়ালী, বাওয়ালী, বনজীবী, বন্যপ্রাণী এখন সবাই নিরাপদ বিশেষ করে মৎসজীবিরা। নির্ভয়ে নির্বিঘ্নে আসছে দর্শনার্থী-পর্যবেক্ষক এবং জাহাজ বণিকেরা। এভাবেই সরকারের দূরদর্শিতায় সুন্দরবন কেন্দ্রিক অর্থনৈতিক গতিশীলতার ব্যাপক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। মূলতঃ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব, দিক নির্দেশনা ও পৃষ্ঠপোষকতা এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান এবং র‍্যাবের সক্রিয় অংশগ্রহণে সুন্দরবন আজ জলদস্যু মুক্ত।

বর্তমানে আত্মসমর্পণকারী জলদস্যুরা পুনর্বাসিত হয়ে স্বাভাবিক জীবন যাপন করছেন। সরকারের পক্ষ থেকে আত্মসমর্পনকারী সকল জলদস্যু/বনদস্যুদের বিরুদ্ধে রুজুকৃত চাঞ্চল্যকর ও গুরুতর অপরাধের (হত্যা ও ধর্ষণ) মামলা ব্যতিত অন্যান্য সকল সাধারণ মামলা সহানুভূতি সহকারে বিবেচনার বিষয়টি চলমান রয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় আসন্ন ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষ্যে অদ্য ১৭ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে র‍্যাব ফোর্সেস এর ডিজি মহোদয়ের পক্ষ হতে র‍্যাব-৮, বরিশাল কর্তৃক আত্মসমর্পণকৃত ২৭ টি বাহিনীর ২৮৪ জন জলদস্যুকে ঈদ উপহার প্রদান করা হচ্ছে। তন্মধ্যে বাগেরহাট জেলার সাইনবোর্ড ৩০ জন, ভাগা ৯০ জন,মোংলা ৫৭ জনকে র‍্যাব-৮ এর অধিনায়ক মাহমুদুল হাসান, পিবিজিএম, পিএসসি এবং উপ-অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম কর্তৃক ঈদ উপহার প্রদান করেন। এছাড়াও খুলনা জেলার জিরো পয়েন্ট ১৯ জন, আঠারো মাইল ০১ জন, তালা বাজার ০৩ জন, শিববাড়ি ০৪ জন, কয়রা ১৮ জনকে এএসপি মোঃ রেজাউল করিম এবং সাতক্ষীরা জেলার মুন্সিগঞ্জ ৫৪ জন সদরকোর্ট ০৭ জনকে ঈদ উপহার প্রদান করেন র‌্যাব -৮ এর এএসপি মোহাম্মদ ফয়জুল ইসলাম।

ভবিষ্যতেও র‌্যাব -৮ এর এ ধরনের জনকল্যানমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

উপহার সামগ্রীর তালিকা নিম্নরূপ, চাউল,পোলার চাউল, সোয়াবিন তৈল,ঘি, সেমাই, চিনি, গুড়া দুধ, লবণ, কিসমিস, জিরা, এলাচ, দারুচিনি, পেঁয়াজ, আলু, বাদাম।