
স্টাফ রিপোর্টারঃ
হতদরিদ্র পরিবারের চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ুয়া ছাত্রী (৯), ঈদের এক দিন পরে মায়ের কথায় পড়শী বাড়ি থেকে রান্নার জন্য ডিম আনতে গিয়ে ধর্ষনের শিকার। এমন অভিযোগে ঘঠনা স্থলে সরজমিন গিয়ে দেখাযায়, ভিকটিম বাড়িতে নেই।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ভিকটিম তার বড় চাচার সাথে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ভিকটিমের মায়ের সাথে কথা বললে তিনি আজকালের খবর কে জানায়, ঈদের পরের দিন আমি আমার মেয়েকে পড়শী আব্দুল করিম (মসজিদের ইমাম) এর বাড়ীতে পাঠাই ডিম আনার জন্য। সেখান থেকে আব্দুল করিমের ছেলে আব্দুল্লাহ আল মামুনের স্ত্রী আমার মেয়েকে পাঠায় তাদের বেগুনের ক্ষেত থেকে কয়েটা বেগুন এনে দিতে। পরে বেগুন ক্ষেতের পাশে থাকা তাদের পানের বরজে আমার মেয়েকে ডেকে নেয় করিম ইমাম। সেখানেই এই নরপিশাচ আমার মেয়েটার সাথে এরকম জঘন্য ঘটনা ঘটিয়েছে। বাবা মরা মেয়েটার সাথে এমন ঘটনার আমি কঠিন বিচার চাই।
এগারো বছর বয়সী ভিকটিমের আরেক চাচাতো বোন জানায়, বড় চাচার বাড়ির সামনে আমার চাচাত বোন সহ আরও দুইটা মেয়ে বসে ছিলো। আমি কাছে গিয়ে দেখি আমার চাচাত বোন কাঁদছে! কিন্তু কেন কাঁদছে আমি তা জানতে চাইলে আমাকে সে বলতে চায়না। পরে তার পাশে থাকা দুজনেই আমাকে জানায় আমার বোনের সাথে করিম ইমাম পানের বরজে ডেকে নিয়ে খারাপ কাজ করেছে। পরে আমি বাড়িতে এসে চাচাতো বোন (ভিকটিম) এর সাথে ঘটে যাওয়া ঘঠনা ও বড় চাচার বাড়ির সামনে বসে কান্নার বিষয়টি জানালে চাচি আমার চাচাত বোন (ভিকটিম) কে বাড়িতে এসে জিজ্ঞেস করে এবং ভিকটিম বোন তার সাথে কি হয়েছে সব ঘটনা খোলে বলে।
ভিকটিমের আরেক চাচাতো বোন জানায়, ভিকটিমের কথা শুনে দ্রুত আমাদের পরিবারের অভিভাবক (গার্জিয়ান) আমার বড় চাচাকে বিষটি জানালে তখনি করিম ইমাম কে বিষটি তাৎক্ষণিক জিজ্ঞাসা করে কিন্তু করিম ইমাম লাম-সাম কথা বলে বিষয়টি এড়িয়ে যায়। পরে আমার বড় চাচা ভিকটিম কে নিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। বর্তমানে ভিকটিম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।
ভিকটিমের বড় চাচার সাথে ফোন কলে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমার ভাতিজি'র (ভিকটিম) শারীরিক অবস্থা কিছুটা উন্নত হলে আমি আইনি সহায়তা নিবো। এরকম জঘন্য ঘঠনার কঠিন বিচার চাই।
উক্ত ঘটনার অনুসন্ধানের জন্য করিম ইমামের বাড়িতে গেলে গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিতি টের পেয়ে করিম ইমাম বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়।
করিম ইমামের বাড়িতে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পরে আব্দুল্লাহ আল মামুন (করিম এর ছেলে) বাড়ি থেকে বাইরে আসে এবং জানান, তার বাবা বাড়িতে নেই। এছাড়াও সমস্ত ঘঠনা অস্বীকার করে বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের এই ধরনের কথা বলছে!
নান্দাইল মডেল থানা কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান আকন্দ জানান, ভিকটিমের পরিবারের লোকজন এখনো অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সম্পাদক- আবদুর রহমান
Web:https://bangladeshamar.com/ Email: doinikbangladeshamar@gmail.com
Address: F-8, KA-90,JHK WINDCEL, KURIL KAZI BARI,VATARA,DHAKA-1229.
Copyright © 2026 বাংলাদেশ আমার. All rights reserved.