
বিনোদন ডেস্কঃ
মনোজ বাজপেয়ী, যার জীবনে স্ট্রাগল নেহাত কম নয়। নিজের জীবনে একের পর এক ঝড় বয়ে গেছে। সেটা একেবারে ছোটবেলা থেকেই। অভিনেতা হওয়ার স্বপ্ন দেখলেও কঠিন পরিস্থিতিতে তা যে তিনি বাস্তবে রূপান্তর করতে পারবেন, নিজেও ভাবতে পারেননি। তবে বর্তমানে দাপটের সঙ্গে অভিনয় করে চলেছেন। প্রমাণ করে দিয়েছেন কষ্ট করলে জীবনে একদিন সফলতা আসবেই।
তার প্রথম সিনেমা ‘সত্য়া’য় গ্যাংস্টার চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মনে একটা জায়গা তৈরি করে নিয়েছিলেন রাতারাতি। কিন্তু তারপর তার জীবনে নেমে এসেছিল অন্ধকার। কাজ পাচ্ছিলেন না। কারণ একটাই, তার পছন্দসই চরিত্রের অভাব।
সব রকম চরিত্রে অভিনয় করতে একেবারেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন না মনোজ। ফলে কাজও পেতেন না। খুব স্বাভাবিকভাবেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছিলেন। সদ্য সাফল্যের স্বাদ পাওয়া অভিনেতার কাছে কাজ না থাকলে যেমনটা হয় আর কী।
ক্যারিয়ারের শুরুটা মোটেও সুখকর ছিল না তার। কাজ কেউই দিতে চাইত না। পথনাটক করে নিজের অভিনয় সত্তাকে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছেন অভিনেতা। যদিও লাভের লাভ কিছুই হচ্ছিল না, অর্থের কষ্ট থেকেই গিয়েছিল।
তবে অর্থের কষ্টে না খেয়ে রাতের পর রাত কাটিয়েছেন তিনি এমনটা নয়। মনোজ বাজপেয়ী নিজের দাদুকে ভীষণ অনুসরণ করতেন। দাদু শরীর ফিট রাখতে ঠিক যা যা করতেন, নিজেকে সেইভাবেই সুস্থ রাখার চেষ্টা করতেন। তার দাদু রাতে খেতেন না কিছু।
সেই থেকেই ডিনার বন্ধ করার চেষ্টা করতেন তিনি। ১২-১৪ ঘণ্টা না খেয়ে থাকার চেষ্টা করতেন দাদুর মতোই। প্রথমটায় কষ্ট হলেও তারপর তা অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায় তার। আর এই নিয়ম মেনে তিনি বেশ সুস্থই রয়েছেন।
ক্যারিয়ারের শুরু নিয়ে মনোজ বাজপেয়ী একাধিকবার মুখ খুলেছিলেন। একবার নিজেই জানিয়েছিলেন অভিনেতা, অনেকের মতোই একবুক স্বপ্ন নিয়ে আমি মুম্বাইতে এসেছিলাম। দীর্ঘদিন ধরে লড়াইও করেছি।
সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস
সম্পাদক- আবদুর রহমান
০১৩০৩১১২৬৭৬
Web:https://bangladeshamar.com/ Email: doinikbangladeshamar@gmail.com
Address: F-8, KA-90,JHK WINDCEL, KURIL KAZI BARI,VATARA,DHAKA-1229.
Copyright © 2026 বাংলাদেশ আমার. All rights reserved.