সম্পাদক
স্পোর্টস ডেস্কঃ
চলতি বছরের অক্টোবর-নভেম্বরে ভারতে অনুষ্ঠেয় ওয়ানডে বিশ্বকাপে শিরোপায় চোখ রাখছে বাংলাদেশ। এ নিয়ে এখন থেকেই তোড়জোড় শুরু করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
বৈশ্বিক এই টুর্নামেন্টের এ ফরম্যাটে বাংলাদেশ শক্তিশালী হওয়ায় বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছে বিসিবি। এমনকি টাইগারদের কড়া হেডমাস্টার চন্ডিকা হাথুরুসিংহেও বিশ্বকাপের সেরা প্রস্তুতির আভাস দিয়েছেন। এজন্য ২৪ জন ক্রিকেটারকে নিয়ে একটি পুল তৈরি করেছে বিসিবির নির্বাচক প্যানেল। এই পুলে অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, ওপেনার নাঈম শেখসহ অনেকেই রয়েছেন।
তবে টাইগারদের বিশ্বকাপ দলে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ সুযোগ পাচ্ছেন কি না, তা নিয়েই ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে নানান প্রশ্ন। সম্প্রতি টাইগারদের বিশ্বকাপ দল কেমন হতে পারে, তা নিয়ে মুখ খুলেন লাল-সবুজের ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল খান।
সে সময় টাইগারদের ওয়ানডে কাপ্তান জানান, আমি এটা নিয়ে অনেক কথা শুনছি যে এটা কী হচ্ছে না, হচ্ছে (রিয়াদের বিশ্বকাপ দলে থাকা)। কিন্তু তিনি (রিয়াদ) অবশ্যই, অবশ্যই আমাদের পরিকল্পনা আছেন। শুধু উনি না, এই মুহূর্তে যারা দলে নেই, কিন্তু লিগে ভালো করছে; আমরা ওদের নিয়েও কথাবার্তা বলছি। যেটা আমি বললাম, দলের জন্য ভালো যেটা হবে, সেটাই করা হবে।
এবার টাইগারদের অভিজ্ঞ পাণ্ডব রিয়াদের বিশ্বকাপ দলে থাকা নিয়ে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।
শুক্রবার (১২ মে) গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানালেন, আমার ধারণা মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ থাকবে বিশ্বকাপ দলে।
বিসিবি বসের ভাষ্য, আমার ধারণা সে (রিয়াদ) থাকবে বিশ্বকাপ দলে। দ্বিধাদ্বন্দ্বটা হচ্ছে, হৃদয় বা রাব্বিকে বিশ্রাম দেওয়া সহজ। কিন্তু রিয়াদ স্কোয়াডে আছে; কিন্তু খেলাচ্ছে না, এটা সবাই ভাবছে ব্যাপারটা কেমন হবে। এই জিনিসগুলো নিয়েই চিন্তাভাবনা হচ্ছে।
এ সময় জাতীয় দলের অভিজ্ঞ পেসার মোস্তাফিজের প্রসঙ্গও উঠে এলো। এই বিষয়ে পাপনের দাবি, মোস্তাফিজকে তৃতীয় ম্যাচের (আইরিশদের বিপক্ষে) একাদশে খেলতে দেখা যেতে পারে।
বিসিবি বস আরও যোগ করেন, এশিয়া কাপে যে দল খেলবে, এটাই বিশ্বকাপ খেলবে। কোচ না দেখে কাউকে খেলাতে চায় না। কোচ মোস্তাফিজকে চেনে, তাসকিনকে দেখেছে। শরিফুলকে দেখা হয়নি। হাসান, এবাদতকে চেনে। মোস্তাফিজকে তো দেখার কিছু নেই। ও তো আছেই, থাকবেই। হয়ত সামনের ম্যাচেই খেলবে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৫ অক্টোবর থেকে মাঠে গড়াচ্ছে বিশ্বকাপ। আর ফাইনাল হবে ১৯ নভেম্বর। আয়োজক ভারতসহ ৮ দল ইতোমধ্যে মূলপর্ব নিশ্চিত করে ফেলেছে। এ ছাড়া বাছাইপর্ব পেরিয়ে যুক্ত হবে আরও দুই দল।

