ওমর ফারুক

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গা থানাধীন ৪০ নং ওয়ার্ড ষ্টীলমিল বাজার সংলগ্ন এলাকায় বসবাস করতেন মোহাম্মদ বাহারুল ইসলাম (২১) পিতা-মোঃ খায়রুল ইসলাম,মাতা-পলাশী বেগম. গ্রাম শুকানি পোস্টঃআলগী,থানা-ভাংগা,জেলা ফরিদপুর।

প্রেম বিষয়ে বাহারুল ইসলাম বলেন,আমি আর সানজিদা আলভী ইউনিয়ন ন্যাশলাল উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতাম।পড়াশোনার এক পর্যায়ে আমাদের দুইজনে মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক শুরু হয়।গত১৬ মে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এএসআই ফিরোজ সানজিদাকে পতেঙ্গা থানায় ডেকে নেন।

বিষয়টি নিয়ে পতেঙ্গা থানা এএসআই ফিরোজ এর মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন,ভাংগা থানায় সানজিদার বাবা একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন।ভাংগা থানার নিখোঁজ ডায়েরির সূত্র ধরে পতেঙ্গা থানার সহযোগিতা নিয়ে সানজিদাকে উদ্ধার করি।পরে পতেঙ্গা থানা থেকে ভাংগা থানাকে অবগত করলে
সানজিদার বাবা মা চাচা চাচি সহ পতেঙ্গা থানায় আসলে আমরা সানজিদাকে তার বাবা মার কাছে বুঝিয়ে দিয়েছি,বলে জানান তিনি।

সূত্রে আরো জানা গেছে
ঘটনাস্থলে একজন সংবাদকর্মী বিষয়টি নিয়ে কথা বললে ঔসংবাদকর্মী বলেন,সানজিদাকে বুঝিয়ে দেওয়ার সময় সানজিদা বলে আমাকে জোরপূর্বক ভাবে আমার বাবা মার হাতে আমাকে বুঝিয়ে দিতে পারেন না।পতেঙ্গা থানা থেকে বের হওয়ার সময় সানজিদা চিৎকার করে বলেন,আমি বাহারুল ইসলামকে ভালোবাসি।আমার বাবা মা আমাকে যদি কোন ছেলের সাথে জোরপূর্বক ভাবে আমার বিবাহ দেয় তাহলে আমি আত্মহত্যা করব।

প্রেম সংক্রান্ত বিষয়ে গত ১৮ মে বৃহস্পতিবার বিকেল সানজিদার বাবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন,আমার মেয়ে সানজিদার বয়স কম।সে ভালোমন্দ কোনকিছু বুঝে নাই তাকে প্রেমের প্রলোবন দেখিয়ে চট্টগ্রাম থেকে নিয়ে আসেন বাহারুল ইসলাম নামে এক ছেলে।পরে পতেঙ্গা থানার সার্বিক সহযোগিতায় আমার মেয়ে সানজিদাকে আমার হাতে বুঝিয়ে দেন।বলে জানান তিনি।