সম্পাদক
নিউজ ডেস্ক:
জাতীয় নির্বাচনের আগে সিটির দিকে সবার নজর থাকায় সুষ্ঠু নির্বাচন করার বিষয়ে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন।বাংলাদেশের খুলনা সিটি কর্পোরেশন ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থীরা জয়লাভ করেছেন।
বরিশাল সিটি করপোরেশন:
বরিশালে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আবুল খায়ের আবদুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবত। বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি )নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী আবুল খায়ের আবদুল্লাহ (খোকন সেরনিয়াবাত) ৮৭ হাজার ৮০৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। রিটার্নিং কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।
আবুল খায়ের তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিমকে ৫৩ হাজার ৯৭৯ ভোটে পরাজিত করেছেন। সৈয়দ ফয়জুল করিম মোট ৩৩ হাজার ৮২৮ ভোট পেয়েছেন।
অন্য প্রার্থীদের মধ্যে, জাতীয় পার্টির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেন তাপস পেয়েছেন ৬ হাজার ৬৬৫ ভোট, স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী মো. কামরুল হাসান রূপন পেয়েছেন ৭ হাজার ৯৯৯ ভোট এবং জাকের পার্টির প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান বাচ্চু পেয়েছেন ২ হাজার ৫৪৬ ভোট।
বরিশাল সিটি নির্বাচনে, ২ লাখ ৭৬ হাজার ২৯৭ ভোটারের মধ্যে, ১ লাখ ৪২ হাজার ১৭৭ জন ভোট দিয়েছেন।রিটার্নিং অফিসারের তথ্য মতে, ভোটার উপস্থিতি ৫১ দশমিক ৪৬ শতাংশ রেকর্ড করা হয়েছে।
বরিশাল সিটি নির্বাচনে ৭ জন মেয়র প্রার্থী, ১১৯ জন সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থী এবং ৪২ জন সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
আবুল খায়ের আবদুল্লাহ প্রথমবারের মতো বরিশালের মেয়র হিসাবে দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছেন।
নৌকার সমর্থকরা হামলা করেছে, এমন অভিযোগ এনে এই নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছে ইসলামী আন্দোলন।
খুলনা সিটি কর্পোরেশনে:
খুলনা সিটি কর্পোরেশনে বেসরকারি ফলাফলে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক। তৃতীয়বারের মতো তিনি এই সিটির মেয়র হিসাবে দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছেন।
খুলনার সিটির ২৮৯ কেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮২৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা প্রতীকের মো. আব্দুল আউয়াল পেয়েছেন ৬০ হাজার ৬৪ ভোট।
অন্যান্য প্রার্থীর মধ্যে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম মধু পেয়েছেন ১৮ হাজার ৭ ভোট, জাকের পার্টি থেকে গোলাপ ফুল প্রতীকে এস এম সাব্বির হোসেন পেয়েছেন ৬ হাজার ৯৬ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী টেবিল ঘড়ি প্রতীকের এস এম শফিকুর রহমান পেয়েছেন ১৭ হাজার ২১৮ ভোট।
এই সিটির মোট ভোটার ৫ লাখ ৩৫ হাজার ৫২৯ জন। ভোট পড়েছে ২ লাখ ৫৬ হাজার ৪৩৩টি।
মেয়র পদে ৫ জন ছাড়াও ৩১টি সাধারণ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ১৩৬ জন ও ১০টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে মহিলা কাউন্সিলর পদে ৩৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
বিএনপি অংশ না নেয়ায় এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর কোনও শক্তি প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না।

