মোস্তাফিজার রহমান, ফুলবাড়ি (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলা ভাঙ্গামোড় ইউনিয়নের মোহাম্মদ আলী শেখ চেয়ারম্যানের ২০ বিঘা জমিতে দুইটি আম বাগান করেছ। বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে আমের ফলন হয়েছে বাম্পার। এতে আগ্রহ বাড়চ্ছে কৃষকদের। আমের ফলন দেখে খুশি কৃষকরা। এই আম বাগান দেখতে বিভিন্ন জায়গা থেকে আসছেন দর্শনার্থীরা। অনেকে আবার বলতেছে এত বড় আম বাগান ও এত আম ধরেছে না আসলে বোঝায় যেতোনা আর এত বড় আম বাগান ফুলবাড়ী উপজেলার কোথাও চোখে পড়ে নাই।
উপজেলা কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, প্রতিটি আম গাছে পুরোপুরি ভাবে মুকুল ছেয়ে গেছে প্রায়। বড় ধরনের কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না থাকায় এ বছর আমের বাম্পার ফলনের আশা করছেন চাষিরা। এ অঞ্চলে দেশীয় আম গাছসহ বারী-৪, গোপালভোগ, ল্যাংড়া, ফজলী, হাড়িভাঙ্গা, সুবর্ণা, মালদাহসহ বিভিন্ন জাতের আম চাষ করা হয়।
আম চাষি মোহাম্মদ আলী শেখ চেয়ারম্যান ৫ নং ভাঙ্গামোড় ইউনিয়ন পরিষদ জানান, আমি গত ১৫ বছর ধরে ২০ বিঘা জমিতে বিভিন্ন জাতের ৩০০ টি আম গাছের চারা রোপণ করেছি। গত বছরের তুলনায় এবার আমের মুকুল বেশি ছিলো। আমার আম বাগানে ২ ধরণের আম গাছে আম ধরেছে। একটি বাগানের আম গুলোকে কাগজের ব্যাগ দিয়ে প্যাকেটিং করে রেখেছি যাতে কোন প্রকার পাখি ক্ষতি করতে না পারে। আর একটি বাগানের আম খোলা রয়েছে। গত বারের চেয়ে এবার অনেক বেশী আম ধরেছে এবং আমের আকার ও রংও অনেক ভালো। আম পাকা শুরু হয়েছে আর কিছু দিনের মধ্যে বিক্রি হবে ইনশাআল্লাহ।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াছমিন জানান, এবারে ফুলবাড়ী উপজেলায় বসতবাড়িসহ প্রায় ৪০ হেক্টর জমিতে কৃষকরা বিভিন্ন জাতের আম চাষ করেছে এবং ৯০ ভাগ আম গাছে মুকুল এসেছিলো এবং আমও অনেক বেশী ও ফলনও অনেক বেশী হয়েছ। কৃষি বিভাগ আম চাষিদের সব ধরনের সহায়তা প্রদান করছে,যাতে আম গুলো কোন প্রতিকূলতায় নষ্ট না হয় সেদিকে আমরা লক্ষ্য রাখছি। আশা করছি আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কৃষকরা আমের বাম্পার ফলন পাবে।

