ওমর ফারুক

বিজয় কর রতন মিঠামইন (কিশোরগঞ্জ)প্রতিনিধি:-

মঙ্গলবার ২৭ শে জুন মিঠামইন উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে সরজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, ১ সপ্তাহের ব্যাবধানে আদা, জিরা, কাঁচা লঙ্কা মূল্য দিগুণ হয়ে গেছে।

এক শ্রেণীর ব্যাবসায়ীরা কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে এসকল জিনিসের মূল্য বাড়িয়ে দিয়েছে। ঘাগড়া বাজারের মসল্লা ব্যাবসায়ী জয়ন্ত মোদক বলেন,আদার কেজি ৪০০ টাকা, জিরা ১০০০ হাজার টাকা বিক্রি হচ্ছে।

আমরা কি করব ভৈরব বাজার থেকে পাইকারীতে চড়া মূল্যে এসকল মসল্লা কিনে আনতে হয়।গত সপ্তাহে আদা ছিল কেজি ২০০ টাকা,জিরা ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা।

এ সপ্তাহে আদা ৪০০ টাকা, জিরা, ১০০০ টাকা কেজি বিক্রি করতে হচ্ছে অন্য দিকে সবজি ব্যাবসায়ী শামীম মিয়া বলেন,গতকাল সোমবার থেকে কাঁচা লঙ্কা বাজারে নেই।পাইকারী আড়তে ৪০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

আমরা এখানে ৪৫০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা কেজি বিক্রি করতে হবে। তাই কাঁচা লঙ্কা কেউ আনছে না।ঘাগড়া বাজারের ব্যাবসায়ী আরজুল মিয়া জানান,১ সপ্তাহের ব্যাবধানে আদা,জিরা মসল্লার মূল্য আত্যাধিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ভৈরব কিশোরগঞ্জ থেকে এসকল পণ্য চড়া মূল্যে কিনতে হচ্ছে। মালামাল বিক্রি না হলেও কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে চড়া মূল্যেই জিনিস আনতে হয়েছে।

মিঠামইন বাজারের নবাব মিয়া নামে একজন ক্রেতা তিনি জানান,কোরবানি দেওয়ার মানত করেছি।

তাই বিপদে পড়ে হলেও আদা, জিরা,কাঁচা লঙ্কা চড়া মূল্যে কিনতে হচ্ছে।পাশাপাশি অন্যান্য মসল্লার দামও পূর্বের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। করিমগঞ্জ থেকে ৪০০ টাকা দিয়ে ১ কেজি কাঁচা লঙ্কা নিয়ে এসেছি।ব্যাবসায়ী হারুন মিয়া জানান,সরকার টি,সি,বি,র পণ্য ন্যায্য মূল্যে দিচ্ছে।

২ লিটার ভোজ্য তৈল ও ২ কেজি ডাল মাএ ৩৪০ টাকা।পূর্বে চিনি ও পেঁয়াজ সরবরাহ ছিল বর্তমানে তাও নেই।চিনি ও পেঁয়াজ ন্যায্য মূল্যে পাওয়া গেলে সাধারণ মানুষ হাঁফ ছেড়ে বাচঁতো।বর্তমানে চিনিও পেঁয়াজের মূল্য ক্রমশও বৃদ্ধি পেয়ে ক্রেতার ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে চলে যাচ্ছে।

এক শ্রেণীর অসাধু মজুদধার ব্যাবসায়ীরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে প্রতিদিন ইচ্ছে মত জিনিসের মূল্য বাড়িয়ে মুনাফা করছে। তাদের বিরুদ্ধে সরকার কোনো ব্যাবস্হা নিচ্ছে না।