ওমর ফারুক
মো কামাল হোসেন, আন্দুলবাড়ীয়া (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি:
চুয়াডাঙ্গা সদরের ছয়ঘরিয়া গ্রামস্থ সেকেন্দার আলীর ছেলে আসামী মোঃ সোহাগ আলী (২০) গত ২৭.০৬.২০২৩ খ্রিঃ বিকাল অনুমান ০৫:০০ ঘটিকার সময় ভিকটিম মোঃ রুবেল (১৪), পিতা-ইয়ামিন শেখ, মাতা-রূপালী বেগম, সাং-ছয়ঘরিয়া, থানা-চুয়াডাঙ্গার ব্যাটারি চালিত পাখিভ্যান নেওয়ার উদ্দেশ্যে আসামী ভিকটিম রুবেলকে কৌশলে কুতুবপুর মাঠের ভেতর নিয়ে যায়।
লোকজনের অনুপস্থিতিতে নির্জন ফাঁকা মাঠে ভিকটিমের মাথায় লাঠি দিয়ে একাধিক আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করে পা ধরে টেনে খেজুর বাগানের মধ্যে মৃতদেহ গামছা ও ঘাস দিয়ে ঢেকে রেখে আসামী পাখিভ্যান নিয়ে চলে যায়।
ভিকটিমকে হত্যার পরে আসামী সোহাগ পাখিভ্যানটি বিক্রয়ের উদ্দেশ্য বাজারে নিয়ে যায়। বাজারে ক্রেতার বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে একপর্যায়ে আসামী একেক সময় একেক ধরণের অসংলগ্ন কথাবার্তা বলতে থাকে, ধরা পড়ে যাবে বুঝতে পেরে কৌশলে পালিয়ে যায় এবং পাখিভ্যানটি নিতে আর আসে না।
পরবর্তীতে টহল পুলিশের টিম সংবাদ পেয়ে সেখানে যায় এবং পাখিভ্যানের গায়ে লিখিত মোবাইল নম্বরের সূত্র ধরে সদর থানা পুলিশের চৌকস টিম বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে আসামীকে আটক করতে সক্ষম হয়।
আটককৃত আসামী সোহাগকে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে সে স্বীকার করে যে, পাখিভ্যানটি নেয়ার উদ্দেশ্যে একাই ভিকটিম রুবেলকে হত্যা করেছে।
আসামীর স্বীকারোক্তি ও দেখানো মতে ঘটনাস্থল থেকে ভিকটিমের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয় এবং আঘাত করার গাছের মোটা লাঠি জব্দ করা হয়।
বর্নিত ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।

