ওমর ফারুক
মো. হাছনাইন, তজুমদ্দিন (ভোলা) প্রতিনিধি:
মহান আল্লাহর অপার অনুগ্রহ লাভের আশায় সারাদেশে উদযাপিত হচ্ছে মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা। মহান আল্লাহর আপার অনুগ্রহ লাভের আশায় ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা সামর্থ্য অনুয়ায়ী পশু কোরবানি করছেন।
ইসলামে কুরবানীর ইতিহাস বেশ প্রাচীন। আল কুরআনে হাবিল এবং কাবিলের উল্লেখ পাওয়া যায়। হাবিল প্রথম মানুষ যে আল্লাহর জন্য একটি পশু কুুরবানী করেন । ইবনে কাসির বর্ণনা করেছেন যে, হাবিল একটি ভেড়া এবং তার ভাই কাবিল তার ফসলের কিছু অংশ স্রষ্টার উদ্দেশ্যে নিবেদন করে।
আল্লাহর নির্ধারিত পদ্ধতি ছিল যে আগুন আকাশ থেকে নেমে আসবে এবং গ্রহণযোগ্য কুরবানী গ্রহণ করবে। তদনুসারে, আগুন নেমে আসে এবং হাবিলের জবেহকৃত পশুটির কুরবানী গ্রহণ করে।
অন্যদিকে কাবিলের ফসল কুরবানী প্রত্যাখ্যান করে। কাবিল এই ঘটনায় ঈর্ষান্বিত হয় ও সামাজিভাবে অপমানবোধ করে কুরবানী কবুল না হওয়ার বিষয়টি তার ভাই হাবিলকে হত্যা করে, যা মানব ইতিহাসের প্রথম হত্যাকাণ্ড হিসেবে পরিচিত। কাবিল তার কৃতকর্মের জন্যে অনুতপ্ত না হওয়ায় আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেননি।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জুন) সকালে মহল্লায় মহল্লায়
নামাজ শেষে পশু কোরবানি করছেন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা।
তজুমদ্দিনের সাতবাড়িয়া এলাকা ঘুরে দেখা গেছে সেখানে ১০টি গরু ও একটি ছাগল জবাই করা হয়।
সাতবাড়িয়ায় কোথাও রাস্তার পাশে, কোথাও বিশাল মাঠে, আবার কোথাও বাড়িতে পশু কোরবানি চলছে। কোরবানির পশুড জবাই করতে মহল্লার এ বাড়ি থেকে ওই বাড়ি ছুটছে মসজিদের ইমামরা।

