ওমর ফারুক
শেখ মাসুদ পারভেজ শামীম (নড়াইল) প্রতিনিধি:
নড়াইলের লোহাগড়ায় কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকায়। আজ রবিবার উজেলার লোহাগড়া, শিয়রবর, দিঘলিয়া, মানিকগঞ্জ, লক্ষীপাশা ও লাহুড়িয়া বাজারসহ বিভিন্ন হাট বাজারে খোঁজ নিয়ে এ তথ্য জানা গেছে।
কোরবানি ঈদের আগে হাট বাজারে কাঁচা মরিচের দাম ছিল প্রতিকেজি ৪০০ টাকা।
ঈদের দু্ই দির পর সেই কাঁচা মরিচের দাম এখন কেজি ৬০০ টাকা। দিনমজুর ও নিম্নায়ের মানুষেরা উচ্চ মুল্যে কাঁচা মরিচ কিনতে হিমশিম খাচ্ছে।অনেকের কাঁচা মরিচ কেনার সামর্থ না থাকায় শুকনো মরিচ বা মরিচ গুঁড়া তরি তরকারিতে ব্যবহার করছে।
কি কারণে হঠাৎ করে লোহাগড়ার প্রতিটি হাট-বাজারে কাঁচা মরিচের দাম রাতারাতি বৃদ্ধি পেল তার কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যাচ্ছে না।
বিক্রেতাদের সাথে কথা বললে তারা জানান, বাজারে কাঁচা মরিচের যে চাহিদা সে পরিমাণ আমদানি হচ্ছে না। বর্ষার সময় প্রতি বছরই মরিচের দাম হুটহাট বাড়ে।
বৃষ্টি বেশি হলে মরিচে পচন ধরে নষ্ট হয়। এসব কারণে কাঁচা মরিচের আমদানি কমে যাওয়ায় তাদের কৃষকের নিকট থেকে প্রতি কেজি ৫৪০ থেকে ৫৫০ টাকায় ক্রয় করতে হচ্ছে।
লোহাগড়া বাজার ব্যবসায়ী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, কোরবানি ঈদের আগে প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ বিক্রয় করেছি ৪০০ টাকায়।
ঈদের দুই দিন পরে সেই কাঁচা মরিচ বিক্রয় করতে হচ্ছে ৬০০ টাকায়।তিনি বলেন, বৃষ্টিতে মরিচের দাম বেড়েছে। বৃষ্টির সময় কাঁচা মরিচ দ্রুত পঁচে যায়। এছাড়া গাছে এবার মরিচের ফলনও কম।
ক্রেতা মো. আলম সরদার, লিন্টু, নিজামুল, আলমগীর জানান, কোরবানি ঈদের আগে কাঁচা মরিচের দাম ছিল ৪০০ টাকা।
সেই মরিচের দাম এখন দাঁড়িয়েছে প্রতিকেজি ৬০০ টাকায়। সে জন্য আমরা প্রয়োজনের তাগিদে আড়াইশো গ্রাম (২৫০ গ্রাম) কাঁচা মরিচ ক্রয় করেছি। যার মুল্য ১৫০ টাকা।

