ওমর ফারুক

মোঃ শাহাদাত হোসাইন, শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি:

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার বিভিন্ন খালের মধ্যে ২২ কিলোমিটার এলাকজুড়ে কচুরিপানা থাকায় জনগণ পানিবাহিত সমস্যায় ভুগতেছিল।

এমতাবস্থায় গত ২৯ শে জুলাই একযোগে শরণখোলা উপজেলার সকল খালের কচুরিপানা একযোগে উত্তোলনের সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন শরণখোলা উপজেলার সদ্য বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব সিদ্দিক নুর-ই আলম।

কিন্তু একদিনে সকল যায়গার কচুরিপানা উত্তোলন সম্ভব না হওয়ায় ২ নং খোন্তাকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব জাকির হোসেন খান মহিউদ্দিন তার ইউনিয়নের কচুরিপানা উত্তোলনের উদ্যোগ নেন।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে ১১ই আগস্ট শুক্রবার সকাল ১০ টার দিকে স্থানীয় জনসাধারণকে সাথে নিয়ে কচুরিপানা উত্তোলন করা শুরু করেন।

কচুরিপানা উত্তোলন করার এক পর্যায়ে খোন্তাকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব জাকির হোসেন খান মহিউদ্দিন নিজেই কচুরিপানা উত্তোলন করতে নেমে পড়েন।

এ ঘটনাটি সামাজিক যেগাযোগ মাধ্যম ও শরণখোলা উপজেলার জনসাধারণের কাছে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হচ্ছে।
এ বিষয়ে খোন্তাকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব জাকির হোসেন খান মহিউদ্দিন বলেন, জনগণের ভোটে আমি এই দুইবার খোন্তাকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি।

জনগণের সমস্যার কথা চিন্তা করে আমি স্থানীয় মানুষদেরকে সাথে নিয়ে রায়েন্দা খালের কচুরিপানা উত্তোলনের কাজ করেছি। খোন্তাকাটা ইউনিয়নের অন্যান্য খালের জমে থাকা কচুরিপানা অচিরেই উত্তোলন করা হবে।