
নিউজ ডেস্ক:
জাতিসংঘের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছিলেন তারা। সেনার সঙ্গে সংঘর্ষে তাদের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার কঙ্গোর একটি ধর্মীয় সংগঠন জাতিসংঘের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছিল। কঙ্গোয় পশ্চিমা দেশগুলির বিভিন্ন সংগঠন যেভাবে কাজ করছে, তার বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছিলেন তারা। অভিযোগ, সেনাবাহিনী ওই আন্দোলনের অনুমতি দেয়নি। আন্দোলন শুরু হওয়ার পর সেনার সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ হয়। তাতেই অন্তত ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে। ১৬০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে সেনার তরফে জানানো হয়েছে।
গোমা শহরে এই ঘটনা ঘটেছে। কিছুদিন আগে এক পুলিশকর্মীর উপর আক্রমণের ছবি সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। অভিযোগ, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা বাহিনী তাকে মারধর করেছে। তারই প্রতিবাদে এদিন মিছিলের ডাক দিয়েছিল ওই খ্রিস্টান ধর্মীয় সংগঠন।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, তারা শান্তিপূর্ণভাবেই বিক্ষোভ দেখাচ্ছিল। কিন্তু সেনাবাহিনী কোনো প্ররোচনা ছাড়াই তাদের উপর গুলি চালায়। তাতেই অন্তত ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে। গুলি চললে বিক্ষোভকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। অনেকেই আহত হয়েছেন। সেনা ১৬০ জনকে গ্রেপ্তার করে ঘটনাস্থল থেকে।
গোমায় রেডক্রসের প্রধান অ্যানে-সিলভি লিন্ডার জানিয়েছেন, তার ক্লিনিক আহততে ভরে গেছে। অধিকাংশের শরীরেই ছুরির আঘাত অথবা বুলেটের আঘাত আছে। ''মৃত অবস্থাতেও অনেককে নিয়ে আসা হয়েছিল।'' সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন অ্যানে-সিলভি। রেডক্রসের তরফে কঙ্গোর প্রশাসনের কাছে একটি আবেদন জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদের সঙ্গে যেন মানবিক ব্যবহার করা হয়। নিরপেক্ষ তদন্তেরও আবেদন জানানো হয়েছে।
রয়টার্সকে স্থানীয় মানুষ জানিয়েছেন, তারা একটি চার্চের সামনে সমবেত হয়েছিলেন। সেখান থেকেই তারা শান্তিপূর্ণ মিছিল বার করার কথা ভেবেছিলেন। কিন্তু সেনা সেখানেই তাদের পথ আটকে গুলি চালাতে শুরু করে। তাদের দাবি, অন্তত ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। খবর: ডিডব্লিউ, রয়টার্স
সম্পাদক- আবদুর রহমান
Web:https://bangladeshamar.com/ Email: doinikbangladeshamar@gmail.com
Address: F-8, KA-90,JHK WINDCEL, KURIL KAZI BARI,VATARA,DHAKA-1229.
Copyright © 2026 বাংলাদেশ আমার. All rights reserved.