সম্পাদক

শাহ কামাল,গাইবান্ধা সদর প্রতিনিধি:

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ভাগী-শরিকদের সাথে জমি নিয়ে দ্বন্দ্বে পরিকল্পিত হামলার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলা তুলে নিতে বাদীকে হুমকির অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে অভিযুক্তরা আহত বাদীপক্ষকে মামলা তুলে নিতে তাদের বসতবাড়িতে গিয়ে অভিযুক্তরা বিভিন্ন চাপ ও হুমকি প্রদানের ঘটনা ঘটাচ্ছে। তাদের অব্যাহত হুমকিতে পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে অবস্থানের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। তারা দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি জানান।

এর আগে গত শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের পুনতাইর (সানাপাড়া) গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে ছেলে জামাল ও পিতা মমতাজ আলীকে রাতেই বগুড়ার শ.জি.মে.ক হাসপাতালে এবং মা ছালেহা বেগম (৬০) কে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় মমতাজ আলীর ছেলে শামীম প্রধান প্রতিবেশি ইউনুস, ইমাত, ময়েন গংদের ১০ জনকে অভিযুক্ত করে থানায় লিখিত এজাহার জমা দেন। পরের দিন (রবিবার) তদন্ত সাপেক্ষে থানা কর্তৃপক্ষ মামলা নম্বর ৩ রুজু করেন। এর পর থেকেই অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীদের প্রাণনাশের হুমকি সহ বিভিন্ন চাপ প্রয়োগ করছে।

প্রসঙ্গত, ভুক্তভোগী ও অভিযুক্তদের মাঝে জমি-জমা নিয়ে পূর্ব থেকে দ্বন্দ্ব ও বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদান চলমান ছিল। শনিবার সন্ধ্যায় অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধভাবে ভুক্তভোগীদের বসতবাড়িতে অনুপ্রবেশ করে ভাংচুর ও মা ছালেহা বেগমকে রক্তাক্ত জখম করে। মাকে উদ্ধারে গেলে ছেলে জামালকে হাড়কাটা রক্তাক্ত করাকালে বাবা মমতাজ এগিয়ে গেলে তাকেও রক্তাক্ত করলে পুত্রবধূ তাদের উদ্ধারে যান। এসময় তার পরিধেয় কাপড় টানাহেচড়া করে শ্লীলতাহানিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে তার শরীরের স্বর্ণের গহনা এবং ঘরে রক্ষিত টাকা পয়সা চুরির উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়। তাদের আত্মচিৎকারে প্রতিবেশিরা এগিয়ে আসলে তারা বাড়ি সংলগ্ন একটি দোকানঘরে ভাংচুর করে। পরবর্তীতে আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত গোবিন্দগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করালে বাবা ও ছেলেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শ.জি.মে.ক হাসপাতালে পাঠানো হয়।