ওমর ফারুক

বিজয় কর রতন, মিঠামইন (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি:

কিশোরগঞ্জ পৌরসভার অধিকাংশ সড়কে গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় বেহাল হয়ে পড়েছে সড়কগুলো। বর্ষায় সড়কের পিচ খোয়া উঠে গিয়ে সৃষ্টি হওয়া গর্তে পানি জমে ডোবায় পরিণত হয়েছে।

এতে শহরের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সড়কে চলাচল করা রিকশা ইজিবাইক উল্টে গিয়ে প্রতিদিন ঘটছে দুর্ঘটনা। তবে চলতি মাসে পৌরশহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর কাজের উদ্বোধনের আশ্বাস দিয়েছেন পৌর কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট নগুয়া প্রথম মোড় থেকে মোরগমহাল পর্যন্ত প্রায় ১কিলোমিটার সড়ক জুড়ে বড় বড় গর্ত খানা খন্দ। সামান্য বৃষ্টি হলেই গর্তগুলো ডোবায় পরিণত হয়। এসব গর্তে বর্ষার পানি জমে সড়কটি বেহাল হয়ে পড়েছে। পৌরসভার অধিকাংশ সড়কেরই খোয়া উঠে গেছে।

এরমধ্যে রয়েছে নগুয়া, মোরগমহাল, আখড়া বাজার, একরামপুর এলাকায় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়ে সেখানে খানাখন্দ দেখা দিয়েছে। বর্ষায় সড়কের গর্তে পানি জমে সড়কগুলো বেহাল হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে নগুয়া প্রথম মোড়ে কালবার্টটি সাভাবিকের চেয়ে ১ ফুট ডেবে গিয়েছে। মাঝে মধ্যে অটোরিক্সার যাত্রীসহ উল্টে যেতে দেখা যায়।

যে কোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরণের দুর্ঘটনা। ব্যাটারিচালিত ইজিবাই চালক মো: হোসেন ভান্ডারী বলেন, ‘নগুয়া রোডে প্রতিদিন কয়েকশ যানবাহন চলাচল করে। বিশেষ করে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের এ রাস্তাটি দিয়ে সদর হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো যেতে হয়।

সড়কগুলো বিগত ২বছর ধরে বেহাল হয়ে অনেকগুলো গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এসব গর্ত দিয়ে গাড়ি চলাচল করার সময়ে দুর্ঘনা ঘটে। হালকা যানবাহন উল্টে গিয়ে যাত্রী ও চালকরা আহত হন। মোরগমহাল থেকে নাজিম উদ্দিন নামের এক যাত্রী বলেন, আমাদের দৈনন্দিন কাজের তাগিতে প্রায় প্রতিদিনই শহরে আসতে হয়।

এ রাস্তার অবস্থা এতই খারাপ যে ভাল মানুষও রোগী হয়ে যায়। পৌরসভার একাধিক স্থানীয়রা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় পৌরসভার বেশিরভাগ সড়ক বেহাল হয়ে আছে। সড়কের বেহাল অবস্থা তুলে ধরে অনেকে ফেসবুকে (সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম) ছবি পোস্ট করেও কোন প্রতিকার হয় নাই। কিশোরগঞ্জ পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো: রফিকুল ইসলাম বলেন, পৌরসভার যে সকল সড়ক বেহাল হয়ে আছে, সেগুলো ডেন্ডার সম্পন্ন হয়েছে। খুব শিঘ্রই সংস্কার করা হবে। এ ব্যাপারে কিশোরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মাহমুদ পারভেজ বলেন, ‘পৌরসভার যে সকল সড়কগুলো খানাখন্দে বেহাল হয়ে পড়েছে সেগুলোর ডেন্ডার সম্পন্ন হয়েছে।

এর পর থেকে সাধারণ জনগণের চলার পথে দু:খ দুর্দশা পোহাতে হবে না। আশাকরি চলতি মাসের আগামী সপ্তাহের মধ্যে আমরা রাস্তা সংস্কার কাজের উদ্বোধন করব।