ওমর ফারুক

মোঃ মাসুদ রানা.সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে জমি জমার বিরোধকে কেন্দ্র করে ভাতিজার শাবলের আঘাতে চাচা মোসলেম উদ্দিন (৭০)খুন হয়েছেন। এ সময় নিহতের আরো দুই ভাই গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁদেরকে মূমুর্ষ অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার(৩০ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫টার দিকে তাড়াশ উপজেলার সগুনা ইউনিয়নের দক্ষিন পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মোসলেম উদ্দিন ওই গ্রামের মৃত সেকেন্দার আলীর ছেলে। পাশাপাশি তিনি সগুনা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। ঘটনাস্থান থেকে ঘাতক জালাল উদ্দিন (৩৫) কে আটক করেছে পুলিশ।

সকাল ১০ টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, তাড়াশ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. নূরে আলম নিশ্চিত।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন যাবৎ চরকুশাবাড়ি গ্রামের সেকেন্দার আলীর তিন ছেলের সাথে তার ভাতিজা মো. জালাল উদ্দিন (৩৫) ’সাথে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। তারই ধারা বাহিকতায় ভোরে নিহত মোসলেম উদ্দিনের দুই ভাই শামসুল হক ও মফিদুল ইসলাম মসজিদে ফজরের নামাজ আদায় করতে যান।

সেখানে আকস্মিক ভাবে ভাতিজা জালাল উদ্দিন উপস্থিত হয়ে ওই দুই চাচাকে শাবল দিয়ে আঘাত করে। আর আঘাতে ওই দুই চাচা গুরুতর আহত হন। পরে তাঁদেরকে ফেলে রেখে জালাল উদ্দিন বাড়ির দিকে যেতে থাকেন।

পথেমধ্যে আরেক চাচা মোসলেম উদ্দিনের সাথে তার দেখা হয়। এতে ভাতিজা ক্ষীপ্ত হয়ে শাবল দিয়ে চাচা মোসলেম উদ্দিনকেও উপর্যপরি আঘাত করতে থাকেন। এতে করে ঘটনাস্থলেই চাচা মোসলেম উদ্দিনের মৃত্যু হয়।

এ দিকে স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে গুরুতর আহত শামসুল হক (৫৫) ও মফিদুল ইসলাম (৪৫) উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। পাশাপাশি পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে ঘাতক জালাল উদ্দিন (৩৫) কে আটক করেন এবং মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু করেন।

এ বিষয়ে তাড়াশ থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) মো.শহিদুল ইসলাম জানান, সকালে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে থানায় মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে ।