
নিউজ ডেস্ক:
দেশে চলমান ডলার সংকটকালে অর্থনীতিতে রেমিট্যান্সের বড় ধাক্কা লেগেছে। সদ্যোবিদায়ি সেপ্টেম্বর মাসে রেমিট্যান্সে এসেছে ১৩৪ কোটি ৩৬ লাখ ৬০ হাজার ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় (এক টাকা সমান ১০৯.৫০ টাকা ধরে) এর পরিমাণ ১৪ হাজার ৭১২ কোটি টাকা। এটি গত প্রায় সাড়ে ৩ বছর বা ৪১ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন রেমিট্যান্স।এর আগে ২০২০ সালের এপ্রিল মাসে এসেছিল ১০৯ কোটি ২৯ লাখ ৬০ হাজার ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য বলছে, সেপ্টেম্বর মাসে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে দেশে এসেছে ১৩৪ কোটি ৩৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। এই অঙ্ক আগের বছরের সেপ্টেম্বরের তুলনায় ১৯ কোটি ৫৯ লাখ বা ১২.৭২ শতাংশ কম। গত বছরের সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৫৩ কোটি ৯৬ লাখ ডলার।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত মাসে দেশে যে প্রবাস আয় এসেছে, তা গত বছরের সেপ্টেম্বরের তুলনায় প্রায় ১৩ শতাংশ কম এবং গত আগস্টের তুলনায় এই আয় প্রায় ১৬ শতাংশ কম। আর ২০২০ সালের জুলাইয়ে আসা সবচেয়ে বেশি প্রবাস আয়ের হিসাব বিবেচনায় নিলে গত মাসে আয় কমেছে ৪৮ শতাংশের বেশি।
ডলার সংকটের এই সময়ে রেমিট্যান্সের এই পতনকে চলমান সংকটে বড় দুঃসংবাদ বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, ব্যাংকিং চ্যানেলের চেয়ে খোলাবাজারে ডলারের দামের ব্যবধান বেশি থাকলে হুন্ডিতে লেনদেন বেড়ে যায়।
আর যখন হুন্ডির চাহিদা বাড়ে, তখন রেমিট্যান্স কমে যায়। গত মাসে ব্যাংকের চেয়ে খোলাবাজারে ডলারের দাম ৮ থেকে ১০ টাকা বেশি ছিল। তাই বেশি লাভের আশায় বৈধপথে রেমিট্যান্স পাঠানো কমিয়ে দিয়েছেন প্রবাসীরা।
তাই ব্যাংকিং চ্যানেলের বদলে হুন্ডিতে টাকা পাঠানোর প্রবণতায় রেমিট্যান্স কমছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। তাঁরা বলছেন, গত দুই বছরে প্রবাসে কর্মসংস্থান হয়েছে ২০ লাখ কর্মীর।দেশের বাইরে যখন প্রবাসী বাড়ছে, তখন রেমিট্যান্সের নিম্নমুখী প্রবণতাকে উদ্বেগজনক মনে করছেন তাঁরা।
সম্পাদক- আবদুর রহমান
০১৩০৩১১২৬৭৬
Web:https://bangladeshamar.com/ Email: doinikbangladeshamar@gmail.com
Address: F-8, KA-90,JHK WINDCEL, KURIL KAZI BARI,VATARA,DHAKA-1229.
Copyright © 2026 বাংলাদেশ আমার. All rights reserved.