ওমর ফারুক
মোঃ মাসুদ রানা, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:
আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জ-৪(উল্লাপাড়া-সলঙ্গা) আসনে বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারের ১৫ বছরের উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে দিন রাত নৌকার পক্ষে তৃণমূল পর্যায়ে মানুষের কাছে ভোটের প্রার্থনা করে নির্বাচনী মাঠ চোষে বেড়াচ্ছেন বঙ্গমাতা সাংস্কৃতিক জোট কেন্দ্ৰীয় কমিটির ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক, উল্লাপাড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ও ১৩নং সলপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিঃ শওকাত ওসমান।
তিনি প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন ওয়ার্ডে, বিভিন্ন হাট-বাজার, রাস্তা- ঘাটে দোকানে, চা-স্টলে, রিক্সা-ভ্যান ও অটোচালকসহ সাধারণ জনগণের সাথে পথ সভা ও শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন। এ ছাড়া তিনি রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক সারা ফেলেছেন। তিনি নির্বাচনী এলাকায় দিন-রাত দলীয় তৃনমূলের নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক সভা-সমাবেশে অংশ গ্রহন করে নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করছেন। ইতিমধ্যেই তিনি দলমত নির্বিশেষে সকল মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন।
আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ইঞ্জিঃ শওকাত ওসমানের বিকল্প কিছু দেখছেন না তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। তাই উল্লাপাড়া ও সলঙ্গা নির্বাচনী এলাকার সর্বস্তরের মানুষ এ আসনে ইঞ্জিঃ শওকাত ওসমানের নৌকা প্রতীকে দলীয় মনোনয়ন দিতে তাঁর প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে এলাকায় লিফলেট বিতরণ করেছেন। লিফলেটে নেতা-কর্মীরা উল্লেখ করেছেন, ইঞ্জিঃ শওকাত ওসমান ছাত্রী জীবন থেকেই জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক হিসেবে কাজ করেছেন।
আ’লীগ দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ইঞ্জিঃ শওকাত ওসমান সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়নে তিনি তাঁর পরিকল্পনার কথা প্রতিনিধির কাছে ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অত্যন্ত বিশ্বস্ততার সঙ্গে বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের সেবা করা। উল্লাপাড়া ও সলঙ্গাকে স্মার্ট বাংলাদেশের আওতায় আনা। স্মার্ট নাগরিক,,স্মার্ট সমাজ,স্মার্ট অর্থনীতি ও সরকার।
তাছাড়া তিনি বলেন, সমাজ থেকে দূর্নীতি, দরিদ্র ও মাদক দূর করে স্মাটৃ সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা। এলাকার চাহিদা অনুযায়ী রাস্তা-ঘাট, ব্রিজ- কালভার্টসহ অবকাঠামো নির্মান ও সংস্কার করা। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গুলোতে সরকারী ও বেসরকারী সহযোগীতার উদ্যোগ নেয়া। পর্যটন কেন্দ্র, এলাকায় কৃষি ও পণ্যভিত্তিকশিল্পনগরী স্থাপন, মিনি স্টেডিয়াম স্থাপন, নির্বাচনী এলাকায় সুসম উন্নয়ন নিশ্চিত করা, আমার গ্রাম – আমার শহর,প্রতিটি গ্রামে নগর সুবিধা নিশ্চিত করা সহ টেকসই উন্নয়ন অব্যহত রাখা।

