সম্পাদক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

গাজায় ত্রাণ পাঠাবার জন্য অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি চাইলেন ইইউ নেতারা। মানবিক কারণে তারা এই সংঘর্ষবিরতি চেয়েছেন।

বৃহস্পতিবার ব্রাসেলসে বৈঠকে বসেছিলেন ইইউ নেতারা। তারা দাবি করেছেন গাজায় সাহায্য পাঠাবার জন্য একটি মানবিক করিডোর তৈরি করতে হবে। আর এর জন্য সাময়িক যুদ্ধবিরতি দরকার। তাহলেই নিরাপদে ও উপযুক্ত পরিমাণে ত্রাণসামগ্রী গাজায় পাঠানো সম্ভব হবে।

পরে ইউরোপীয় কাউন্সিল একটি বিবৃতিতে জানায়, ”গাজায় মানবিক পরিস্থিতি সমানে খারাপ হচ্ছে। এই অবস্থায় সেখানে ত্রাণ পাঠাবার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেয়া দরকার। তার জন্য একরটা করিডোর তৈরি করা দরকার।”

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ”ইউরোপীয় ইউনিয়ন এই অঞ্চলে তাদের সহযোগী ও বন্ধু দেশগুলিকে সঙ্গে নিয়ে বেসামরিক মানুষকে রক্ষা করা, তাদের সাহায্য করা এবং তারা যাতে খাবার, জল, ওষুধ, বাসস্থান ও জ্বালানি পায় তা নিশ্চিত করতে চায়। তারা এটাও দেখবে এই সাহায্য যেন সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের হাতে না পড়ে।”

ইইউ-র বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। স্পেন, আয়ারল্যান্ড, বেলজিয়ামের মতো দেশগুলি সংঘর্ষবিরতির উপর জোর দেয়। জার্মানি ও হাঙ্গেরি বলে, ইসরায়েলের নিজেকে রক্ষা করার অধিকার আছে।

বৃহস্পতিবার অল্প সময়ের জন্য ইসরায়েলের কামান ও সেনা গাজায় ঢুকেছিল। হামাসের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়।হামাস তাদের লক্ষ্য করে ট্যাংক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে।

ইসরায়েল জানিয়েছে, এটা ছিল তাদের যুদ্ধপ্রস্তুতির একটা অঙ্গ। স্থলপথে পুরোদস্তুর অভিয়ান শুরু করার আগে তারা এই প্রস্তুতি সেরে নিচ্ছে।

ইসরায়েলের সামরিক মুখপাত্র জানিয়েছেন, তারা লড়াইয়ের পরবর্তী পর্যায়ে যাওয়ার আগে এই প্রস্তুতি সেরে নিচ্ছেন।

আর সেনার তরফ থেকে বলা হয়েছে, বর্তমান সংঘাত শুরুর পর এটাই গাজাতে স্থলপথে সবচেয়ে বড় অভিযান। কামানগুলি সীমান্ত পেরিয়ে ভিতরে ঢুকে বাড়িঘর ধ্বংস করেছে।