ওমর ফারুক

নিউজ ডেস্ক:

প্রধান বিরোধী দল বিএনপি ২৮ অক্টোবর দলীয় সমাবেশের কারণে নির্বাচনের আগে সহিংসতা ও গ্রেপ্তারের সম্মুখীন হয়। মহাসচিব মির্জা ফখরুলসহ তিন নীতিনির্ধারণী নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়, যা দলকে প্রায় নেতৃত্বহীন করে রেখেছিল।

২৮ অক্টোবর একজন রাজনৈতিক কর্মী নিহত, ৪১ পুলিশ ও ২৮ সাংবাদিক আহত, ৫৫টি গাড়িতে আগুন, প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা হয়।

পুলিশ ৬৬টি মামলা করেছে এবং মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিএনপির শীর্ষ নেতাদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছে। গ্রেফতার করা হয় প্রায় দুই হাজার নেতাকর্মীকে।

গ্রেফতার এড়াতে আত্মগোপনে চলে গেছে বিএনপি নেতা ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। অবরোধ কর্মসূচি চলছে, এতে সিনিয়র নেতৃত্বে সংকট দেখা দিয়েছে। ভার্চুয়াল জরুরী সভা ও মিডিয়ার মাধ্যমে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে বিএনপি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান জোর দিয়ে বলেন, রাতারাতি নেতৃত্ব তৈরি করা যায় না এবং গ্রেপ্তার হলে নতুন নেতৃত্বের আবির্ভাব হয়। হরতাল, অবরোধ, অবরোধ, অসহযোগ আন্দোলনসহ আরও কঠোর কর্মসূচির দিকে এগুচ্ছে বিএনপি।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে গ্রেফতার অভিযান জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হলেও দলের অনেক নেতা আত্মগোপনে চলে গেছেন। হামলায় জড়িতদের বিচারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হারুন অর রশিদ।