ওমর ফারুক
রিপন কান্তি গুণ, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি;
‘পুলিশ-জনতা ঐক্য করি, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কমিউনিটি পুলিশিং ডে- ২০২৩ উদযাপন উপলক্ষে নেত্রকোনায় বর্ণাঢ্য র্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ (৪ নভেম্বর) শনিবার নেত্রকোনা জেলা পুলিশ এই কর্মসূচির আয়োজন করে। সকাল ১০টায় পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে বেলুন উড়িয়ে কমিউনিটি পুলিশিং ডে- এর কর্মসূচির উদ্বোধন করেন নেত্রকোনা জেলা পুলিশ সুপার ফয়েজ আহমেদ।
পরবর্তীতে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে থেকে ব্যানার, ফেস্টুন এবং ব্যান্ড পার্টি সম্মিলিত একটি বর্ণাঢ্য র্যালী বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা প্রদক্ষিণ করে পুলিশ লাইন্সে গিয়ে শেষ হয়।
র্যালী শেষে জেলা পুলিশ সুপার ফয়েজ আহমেদের সভাপতিত্বে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাহেব আলী পাঠানের সঞ্চালনায় পুলিশ লাইনস মিলনায়তনে কমিউনিটি পুলিশিং ডে- এর তাৎপর্য তুলে ধরতে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ পরিচালক মোঃ রাফিকুজ্জামান, জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট আমিরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শামছুর রহমান (ভিপি লিটন), জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার নুরুল আমিন, জেলা প্রেসক্লাবে সদস্য সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট হাবিবুর রহমান, জেলা কমিউনিটি পুলিশের সভাপতি সায়েদুর রহমান, সহ সভাপতি এডভোকেট সিতাংশু বিকাশ আচার্য, জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি জ্ঞানেশ চন্দ্র সরকার, সাধারণ সম্পাদক লিটন পন্ডিত, জেলা মহিলা পরিষদের সভাপতি রেহানা সিদ্দিকী, জেলা মোটরযান শ্রমিক ইউনিয়নের সহ সভাপতি বজলুল রহমান ও জেলা কমিউনিটি পুলিশং ডে- এর যুগ্ম সম্পাদক সাইফুল্লাহ ইমরান প্রমূখ।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন নারী নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ, কমিউনিটি পুলিশিং সদস্যবৃন্দ এবং জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্য।
কমিউনিটি পুলিশং কার্যক্রমে বিশেষ অবদান রাখায় শ্রেষ্ঠ কমিউনিটি পুলিশিং কর্মকর্তা এসআই তাজুল ইসলামকে এবং শ্রেষ্ঠ কমিউনিটি পুলিশিং সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আমিনকে আইজিপি পক্ষ থেকে ক্রেস্ট এবং সনদপত্র প্রদান করা হয়।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, স্বল্প সংখ্যক পুলিশ দিয়ে দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নয়নে জনগনকে অধিক পরিমাণে সম্পৃক্ত করার প্রয়োজন। তারা মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও কিশোর গ্যাং মোকাবেলায় সবাইকে স্ব স্ব অবস্থান থেকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।

