ওমর ফারুক

মোঃ আসাদুজ্জাম, মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি: ভিসা, আকামা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্ত্বেও কাতার থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে বিদেশে নেয়া সেই মধ্যস্থাকারি প্রবাসি আশিষ কুমার হালদার ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে ফেরৎ প্রবাসিরা।

মিথ্যাচারের প্রতিবাদে ৪ নভেম্বর শনিবার সকালে মঠবাড়িয়া শুকতারা ভবনে সংবাদ সম্মেলন করে প্রশাসন ও সর্বাস্থরের লোকজনকে অবহিত করেন প্রবাসির স্ত্রী নুপুর রানী হালদার।


সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমার স্বামী আশিষ কুমার হালদার দীর্ঘ ৯ বছর ধরে কাতারে ব্যবসা করে আসছেন। সেখানে ঢাকা দোহার এলাকার বাসিন্দা মোঃ চুন্নু মিয়া ও কাতারের কোম্পানীর মালিকের সাথে সু—সম্পর্ক থাকায় আমার স্বামীর ব্যবসার পরিধি দিন দিন বৃদ্ধি পায়।

বিষয়টি আমার সকল স্বজনরা জানতে পেরে বিভিন্ন সময় তারা বিদেশে যাবার প্রস্তাব দেয়। আমার স্বামী স্বজনদের মধ্যে থেকে ৩০ জনকে কাতার নেন। ওই সকল লোকেরা আত্মীয় হবার সুবাধে জনপ্রতি ৮ লক্ষ টাকা মৌখিক চুক্তি হয়। এদের মধ্যে সকলেই সবোর্চ্চ ৪ থেকে ৫ লক্ষ টাকা আমার একাউন্টে জমা দেয়।

বাকী টাকা বিদেশে গিয়ে কাজ করে পরিশোধ করবেন বলে কথা থাকে। পর্যায় ক্রমে সকলেই বিদেশে যান। বছর খানেক আগে বিশে^র অর্থনৈতিক ও বিভিন্ন অবস্থা তেমন একটা ভালো না থাকায় কাজ—বাজ কম হওয়ায় মঠবাড়িয়ার ১০ জন ও পাথরঘাটার ৩ জন আত্মীয় কাতারে হৈচৈ শুরু করেন।

আমার স্বামী তাদেরকে পরিস্থিতি ঠিক হয়ে যাবে বলে অপেক্ষা করতে বলেন। কিন্তু তার অপেক্ষা না ধরে স্বেচ্চায় সম্প্রতি দেশে চলে আসে এবং গত ২ নভেম্বর বৃহস্পতিবার মঠবাড়িয়ায় স্বামী ও আমার নামে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করেন।

ওই ১৩ জন বাদে বাকী ১৭ জন বর্তমানে কাতারে ভালো অবস্থানে রয়েছেন। ওই ১৩ জন লোক চুক্তি অনুযায়ী আমাদের টাকাও পরিশোধ করেন নি। তিনি আরও বলেন আমিও প্রশাসনের তদন্ত সাপেক্ষে এ পরিস্থিতির বিধি মোতাবেক ফয়সালা চাই।


সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, কাতার প্রবাসির রিপনের স্ত্রী প্রভাতী রানী, সঞ্জয় কর্মকারের স্ত্রী কেয়া রানী, রতন সমাদ্দারের পিতা রনজিৎ সমাদ্দার ও প্রবাসি দুলাল মিত্র প্রমূখ।