ওমর ফারুক

হৃদয় এস এম শাহ্-আলম, মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সভাপতি দেশরত্ন শেখ হাসিনা এমপির নিকট বিনীত নিবেদন এই যে,
তৃণমূলের আশা ও ভরসার নির্ভরযোগ্য আশ্রয়স্থল জাকির হোসেন চৌধুরী অসীমকে, হবিগঞ্জ (৪) চুনারুঘাট-মাধবপুর নির্বাচনী আসনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনয়নে নৌকা প্রতিকে নির্বাচন করার সুযোগ দিন।

নীচে জনাব জাকির হোসেন চৌধুরী অসীম ভাইয়ের রাজনৈতিক ও পারিবারিক পরিচিতির বিশদ বর্ণনা করলাম।
১৯৮৭ইং এসএসসি পরীক্ষা শেষে শিক্ষা শান্তি প্রগতির শ্লোগানে উজ্জীবিত ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একনিষ্ট কর্মী হিসেবে সক্রিয় ভাবে আওয়ামী রাজনীতিতে সম্পৃক্ততা।


১৯৮৮ ইংরেজীতে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের কার্যকরী কমিটির সদস্য, তারপর হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের কমিটিতে প্রচার সম্পাদক নির্বাচিত হন, পরবর্তীতে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের কমিটিতে জেলার সকল কাউন্সিলরদের সরাসরি ভোটে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন,
তারপরের কমিটিতে জেলার সকল ছাত্রলীগের কাউন্সিলারদের সরাসরি ভোটে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন, অতপরঃ জেলা ছাত্রলীগের কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন, ছাত্রলীগের রাজনীতি শেষ হতে না হতেই সেবা,শান্তি,প্রগতির শ্লোগানে মুখরিত সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ হবিগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন,
২০০৩ ইংরেজীতে হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের কার্যকরী কমিটির সদস্য।


১০ বছর জেলা আওয়ামীলীগের কার্যকরী কমিটির সদস্যের দায়িত্ব পালন করেন, ২০১৩ ইং জেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলনে কাউন্সিলারদের সরাসরি ভোটে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন, ৬ বছর জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের পদে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন, ২০০৯ ইংরেজীতে আওয়ামী লীগের সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে মাধবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন,নির্বাচিত হবার পর মাধবপুর উপজেলার আইনশৃঙ্খলা যোগাযোগ শিক্ষা ও তথ্য প্রযুক্তি খাতে বিশেষ সেবার উপহার স্বরূপ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বীকৃতিতে সারা বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন, ২০১৮ ইং থেকে হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।


পারিবারিক পরিচিতি- জাকির হোসেন চৌধুরী অসীম আপন চাচা দুলাল চৌধুরী ১৯৬৯ ইংরেজী থেকে ১৯৭৪ ইংরেজী পর্যন্ত মাধবপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন” ১৯৭৪ ইংরেজীতে স্বাধীনতা বিরোধীরা রাতের আঁধারে বীর মুক্তিযোদ্ধা দুলাল মিয়া চৌধুরীকে প্রাণে হত্যা করে।


তখন সভাপতি ছিলেন জাকির হোসেন চৌধুরী অসীম এর ফুফাত ভাই তফাজ্জুল হোসেন চৌধুরী খোকা মাস্টার।
যুদ্ধকালীন সময়ে আওয়ামীলীগের নেতৃত্ব দিয়েছেন।


৭১ যুদ্ধের সময় রাজাকাররা জাকির হোসেন চৌধুরী অসীম এর বাড়ি ঘর জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করে দেয়।
তখন তাদের পরিবারের সবাই সহ সাবেক মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ডঃ মহিউদ্দিন খান আলমগীর এর স্ত্রী (ওনার আপন খালাত বোন) এবং উনার বোনেরা সহ বুল্লা ইউনিয়নের পাটুলী গ্রামে আশ্রয় নিয়েছিলো তখন ওনার বয়স ২/৩ বছর।

জাকির হোসেন চৌধুরী অসীম ভাই এর পরিবার মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি। যুদ্ধকালীন সময়ে ওনার বড় ভাই মোঃ সেলিম চৌধুরী ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতিতে স্বক্রিয় ছিলেন,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত ছিলেন” বর্তমানে তিনি সুপ্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী সিলেট বিভাগ উন্নয়ন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এবং সমাজ সেবক, মেজ-ভাই মেজর জেনারেল অবঃ মোঃ শামীম চৌধুরী মোমেনশাহী ক্যাডেট কলেজে অধ্যয়নরত ছিলেন, পরবর্তীতে তিনি সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল,মেজর জেনারেল হয়ে কয়েকটি কমান্ডিং এরিয়ার প্রধান অর্থ্যাৎ জিওসির দায়িত্ব পালন করেন, বড় বোন লুৎফুন নাহার চৌধুরী স্মৃতি হবিগঞ্জ জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।


বাবা মরহুম হাবিব আলী চৌধুরী ছিলেন প্রতিষ্ঠিত ব্যাবসায়ী যদিও রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন না তারপরও যুদ্ধকালীন সময়ে চাচাসহ মুক্তিযাদ্ধাদের সব সময় বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করেছেন।


জাকির হোসেন চৌধুরী অসীম ভাইয়ের আপন চাচাত বোন ডঃ রাবাব ফাতেমা চৌধুরী বর্তমানে জাতি সংঘের আন্ডার সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করছেন।


যারা আওয়ামীলীগ কে হবিগঞ্জ জেলায় আজকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন যাদের শ্রমে ঘামে রক্তে জেল জুলুমে প্রতিষ্ঠিত আজকের আওয়ামীলীগ তাদের মধ্যে জাকির হোসেন চৌধুরী অসীম ভাই ও অন্যতম।


৩৬- বছর ধরে স্বপ্নের এই প্রিয় সংগঠনের প্রিয় নেতাকর্মীদের আত্বার সাথে সম্পৃক্ত জাকির হোসেন চৌধুরী অসীম।
পরিশেষে আবারো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সভাপতি দেশরত্ন শেখ হাসিনা এমপির নিকট আকুল আবেদন জাকির হোসেন চৌধুরী অসীমের রাজনৈতিক ও পারিবারিক যোগ্যতাকে মূল্যায়ন করে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনয়ন দিয়ে নৌকা প্রতিকে নির্বাচন করার সুযোগ দিবেন।