ওমর ফারুক

মোঃ আশিকুর রহমান, আজমিরীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

আজমিরীগঞ্জের জলসুখা ইউনিয়ন ভুমি অফিস খোলা থাকলে ও নেই কোন কর্মকর্তা। ভুমি সেবা থেকে বঞ্চিত সাধারণ মানুষ ও কর্মকর্তা না থাকায় হয়রানির শিকার তারা।

সপ্তাহে দুই দিন সেবা দেওয়া হলেও নামজারির কারেকসন করতে টাকা, জমির খাজনা দর-কষাকষি।

১৮ই ডিসেম্বর রোজ সোমবার ১২টা ৩২ মিনিটে সরে জমিনে গিয়ে দেখা যায় অফিস খোলা আছে কিন্তু কোন কর্মচারি ও কর্মকর্তা নেই; শুন্য পড়ে রয়েছে চেয়ার টেবিল, আছে শুধু আয়া, তিনি অফিস খোলা রাখছেন, তার কাছ থেকে জানা যায়, কর্মচারী ও কর্মকর্তাগণ আসে রবি ও মঙ্গলবারে।

অফিস সহকারি হলে ও ইচ্ছে স্বাধীন অফিসে আসে অথচ প্রতিদিন অফিস খোলার কথা অফিস সহকারীর।

কয়েকজনের সঙ্গে আলোচনা করলে তারা জানান নামেই জলসুখা ইউনিয়ন ভুমি অফিস রবি ও মঙ্গলবারের তহসিলদার ও অফিস সহকারী আসে। আসলে ও নামজারির কারেকশন করতে টাকা দেওয়া লাগে, খাজনা দিতে গেলে দর কষাকষি করে টাকা দিতে হয়।

এই নিয়ে জলসুখা ইউনিয়ন ভুমি অফিসের তহসিলদার মো: আলিমুদ্দিন এর সঙ্গে ফোনে আলাপ করলে তিনি জানান আমি অসুস্থ, সেচ্ছায় অবসরে যাচ্ছি। অফিস প্রতিদিন খোলা থাকার কথা।

আমি অফিস সহায়ক উপস্থিত থাকার কথা আমি বলে দেব, প্রতিদিন উপস্থিতি থাকার জন্য। টাকা পয়সা নেওয়া এবং মানুষ যেন হয়রানি না হয় সেই দিকে লক্ষ্য রাখব।

এই নিয়ে জলসুখা ইউনিয়ন ভুমি অফিস সহয়াক মো:তুহিন এর সঙ্গে ফোনে আলাপ করলে তিনি জানান অফিস সরকারি ছুটি ছাড়া প্রতিদিন খোলা থাকে আজ তহসিলদার ডি সি অফিসে ছিলেন । নিজের কথা জিজ্ঞেস করলে কোন উত্তর নেই।

কিছুক্ষণ পর বলেন আমি প্রতিদিন অফিস করি। অথচ বাস্তবে পাওয়া যায় না। এই নিয়ে আজমিরীগঞ্জ উপজেলা কমিশনার (ভূমি) সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ শফিকুল ইসলামের সঙ্গে ফোনে আলাপ করলে তিনি জানান অফিস প্রতিদিন খোলা রাখার কথা তবে তহসিলদার অসুস্থ থাকায় মধ্যে মধ্যে ছুটি নেয় ।

আজও ছুটিতে আছে। এখানে একটি পদ শুন্য রয়েছে অচিরেই পূর্ন হবে। আর বাকি দিক গুলি সঠিক ব্যাবস্থা নেব।