সম্পাদক
নিউজ ডেস্ক:
বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পর সবচেয়ে বেশি ৬২ টি আসন পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। বিএনপি এই নির্বাচনে অংশ না নেয়ায় এবং জাতীয় পার্টি এককভাবে খুব বেশি (১১ টি) আসন না পাওয়ার কারণে এই সংসদ বিরোধী দল শূন্য হয়ে পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এমন অবস্থায় স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বিরোধী দল গঠন করবে কিনা- এমন প্রশ্ন সামনে আসছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও বলছেন, সংসদের বিরোধী দল কারা হবে সে সিদ্ধান্তও সরকারের পক্ষ থেকেই আসবে। কারণ স্বতন্ত্র প্রার্থীরা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী হওয়ার কারণে দলের সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া ছাড়া কোন উপায় থাকবে না তাদের।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী যারা হয়েছেন তাদের বেশিরভাগই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতা। এদের অনেকেই এই নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে প্রার্থীও হতে চেয়েছিলেন। তবে মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হন।
তফসিল ঘোষণার পরেই আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা করে দেন, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় যাতে কেউ নির্বাচিত হয়ে আসতে না পারেন, সেজন্য যে কেউ চাইলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে পারবেন। প্রয়োজনে ডামি হলেও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রাখতে হবে।
সোমবার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সংসদে বিরোধী দল কে হবে, সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী।
যদিও এর কিছুক্ষণ পরেই একটি সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ”বিরোধী দলকে তাদের নিজেদের সংগঠিত করতে হবে। আপনি আমাকে বিরোধী দল পছন্দ করতে বলতে পারেন না। অবশ্য আপনি চাইলে আমরা সেটা করতে পারি।কিন্তু সেটা আসলে বিরোধীদল হবে না।”

