
চরফ্যাশন(ভোলা) প্রতিনিধি:
ভোলায় সর্বনাশা মাদকের ছোবলে শিশুরাও সারা দেশের মত ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার বিভিন্ন গ্রামগুলোতে যুবক ও বয়স্কদের পাশাপাশি এখন ছোট ছোট শিশুরাও সর্বনাশা মাদকের ছোবলে আসক্ত হয়ে পড়ছে। সাধারণত নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেরা মাদকের ছোবলে সর্বস্বান্ত হয়ে পড়ছে।
বেশীর ভাগ ১০ থেকে ১৫/১৬ বছরের উঠতি বয়সের তরুণেরাও। সূত্রে জানা গেছে,উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার চর মানিকা ইউনিয়নেও মরণ নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ছে অনেকে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও বাদ পরছেনা সর্বনাশা মাদকের কবল হতে।
মদ,গাঁজা, ইয়াবা, হেরোইন, ফেন্সিডিল, পিন, পেথেটিন ইঞ্জেকসন, ভয়ঙ্কর ড্রাগ ড্যান্ডি গামসহ নানা ধরণের নেশা জাতীয় দ্রব্য সেবন করে বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পরছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও পথশিশুরা।
এছাড়া রিক্সা সাইকেলের গ্রেজে এবং ইলেকট্রনিক্স দোকানে নেশাদ্রব্য ভয়ঙ্কর ড্রাগ ড্যান্ডি গাম বিক্রি করেন উঠতি বয়সের তরুণদের কাছে। তরুণেরা বিভিন্ন ব্রান্ডের পলিথিনের মধ্যে ঢেলে নেশা তৈরি করে সেবন করছে। ফলে অন্ধকারে পতিত হচ্ছে তাদের সুন্দর জীবন। এছাড়াও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ এড়িয়ে বিভিন্ন প্রকারের মাদক পান করছেন।
এ নিয়ে এলাকার সাধারণ মানুষ চরম উদ্বিঘœ হয়ে বলেন গত ৬ ডিসেম্বর ২০২৩ ইং তারিখে দক্ষিণ আইচা রাব্বানীয়া আলিম মাদ্রাসার নবম শ্রেণীর ছাত্র আরিফ হোসেনকে ড্রাগ ড্যান্ডি গাম খাওয়া অবস্থায় চরের মধ্যে নদীর পাড়ে স্থানীয় জনগণ আটক করেন।
ভোলায় সর্বনাশা মাদকের ছোবলে শিশুরাও সারা দেশের মত ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার বিভিন্ন গ্রামগুলোতে যুবক ও বয়স্কদের পাশাপাশি এখন ছোট ছোট শিশুরাও সর্বনাশা মাদকের ছোবলে আসক্ত হয়ে পড়ছে। সাধারণত নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেরা মাদকের ছোবলে সর্বস্বান্ত হয়ে পড়ছে। বেশীর ভাগ ১০ থেকে ১৫/১৬ বছরের উঠতি বয়সের তরুণেরাও। সূত্রে জানা গেছে,উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার চর মানিকা ইউনিয়নেও মরণ নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ছে অনেকে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও বাদ পরছেনা সর্বনাশা মাদকের কবল হতে। মদ,গাঁজা, ইয়াবা, হেরোইন, ফেন্সিডিল, পিন, পেথেটিন ইঞ্জেকসন, ভয়ঙ্কর ড্রাগ ড্যান্ডি গামসহ নানা ধরণের নেশা জাতীয় দ্রব্য সেবন করে বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পরছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও পথশিশুরা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,গত ইংরেজি ২০২৩ইং সালে চরফ্যাশন উপজেলার ৪টি থানা এলাকা থেকে ইয়াবা গাজা এবং বিভিন্ন প্রকারের মাদকদ্রব্য সহ অর্ধশত লোককে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন এবং বর্তমানেও থানা পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তথ্যসূত্রে জানা যায় দক্ষিণ আইচা থানা এলাকার বিভিন্ন স্পটে এইসব মাদক বিক্রিও সেবন করা হয়। এছাড়াও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন অভিযোগ করে বলেন, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু অসৎ কর্মকর্তার ছত্রছায়ার কিছু মাদক বিক্রেতা সুবিধা পাচ্ছে। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের কিছু উঠতি বয়সের তরুণ ও শিক্ষার্থী কোন না কোন ভাবে সর্বনাশা নেশায় জড়িয়ে পরছে।
উঠতি বয়সের তরুণেরা বিভিন্ন ধরনের মাদক দ্রব্য সেবন করে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে দাঁড়িয়ে থেকে মেয়েদের উত্ত্যক্ত করে থাকে। অভিভাবকেরা তাদের সন্তানের ভবিষৎ নিয়ে দুচিন্তায় থাকছেন সারাক্ষণ।
সর্বনাশা মাদক দ্রব্য বিক্রি ও সেবন রোধে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(প্রশাসন) মামুন অর রশিদ বলেন,মাদকের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশের জিরো টলারেন্স এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি প্রতিটি এলাকার সুশিল সমাজের ব্যক্তিদের এগিয়ে আসতে হবে।
মাদক বিস্তার ও সেবন রোধে অতিসত্তর আইনশৃঙ্খলা বাহীনির আরো কঠোর নজরদারী ও হস্তক্ষেপ কামনা করছেন উপজেলার প্রতিটি সচেতন নাগরিকবৃন্দ
সম্পাদক- আবদুর রহমান
০১৩০৩১১২৬৭৬
Web:https://bangladeshamar.com/ Email: doinikbangladeshamar@gmail.com
Address: F-8, KA-90,JHK WINDCEL, KURIL KAZI BARI,VATARA,DHAKA-1229.
Copyright © 2026 বাংলাদেশ আমার. All rights reserved.