ওমর ফারুক
শাওন আহমেদ সা’দঃ-( মাধবদী-নরসিংদী প্রতিনিধি)
দু’পক্ষের জমি নিয়ে দ্বন্দ্বে রাতের আধারে ফসলি জমির ফসল নষ্ট করার অভিযোগ করেছে মহিষাসুড়া ইউনিয়নের বীরমুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলামের কন্যা আঞ্জুমান বেগম।
গত ২৩ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার নরসিংদী সদর উপজেলা মাধবদী থানাধীন মহিষাসুড়া ইউনিয়ন ৭ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত ফসলি জমিতে সাংবাদিকদের ডেকে নিয়ে এ অভিযোগ আনেন তিনি।
অভিযোগে আঞ্জুমান বলেন,২০ দিন আগে জমিতে রোয়া ধান লাগিয়েছি,ধানের চারাগুলো গজানো শুরুর আগেই গত ১৯ ফেব্রুয়ারী সকালে এসে দেখি ধান খেত লালচে হয়ে গেছে,তারপর কৃষি অফিসারকে এনে ফসল দেখালে তিনি বলেন,খেতে নষ্ট করার স্প্রে মারছে তাই এমন হয়ে গেছে।আঞ্জুমান বেগমের কাছে বিষয়টি স্পষ্ট ভাবে জানতে চাইলে তিনি বলেন,জমিটা তিনি লিজ নিয়ে করেন,বিগত সময়ে এ জমিটা হযরত আলী নামক একজনের কাছে বন্ধক দেওয়া ছিল, এ বছর আর তাঁকে জমিটা না দিয়ে, নিজেই ফসল করার উদ্যেগ নিয়ে চাষ করে ফসল ফলাতে এমনটি করছে বলে জানায় তিনি,আঞ্জুমান বেগম বলেন,জমির ফসল নষ্ট করেছে,মনি চন্দ্র রিশি ও রনি চন্দ্র রিশির অর্ডারে হযরত আলী,আমির হোসেন ও তপু চন্দ্র দাস।তাঁরা রাতের আধারে এসে ধান খেতে স্প্রে মেরে গেছে।
অভিযোগটি মনি চন্দ্র রিশি,রনি চন্দ্র রিশিকে জানালে,তাঁরা জবাব দেন,এ জমি আমরা ৪০ বছর যাবৎ করতাছি,ষড়যন্ত্র করে আমাদের ফাঁসানোর জন্য আঞ্জুমান ও তাঁর সহযোগীরা নিজেই জমিতে স্প্রে করে নাটক সাজিয়ে আমাদেরকে জমি থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করছে,এবং তিনি বলেন আমি হযরত আলীকে জমি বর্গা দিয়েছি,সে এ জমি চাষ করত,নিজেও খাইত আমাদেরও দিত,তাঁদের পরিবার কৃষি পরিবার, কৃষি কাজ দিয়ে যাদের সংসার চলে,তাঁরা কখনোই ফসল নষ্ট করার মতো সাহস করতে পারেনা,একই কথা হযরত আলী নিজেও আমাদের জানান,তিনি বলেন কৃষি কাজ করেই আমি চলি,আমার বা আমার পরিবারের কারো দ্বারা ফসল নষ্ট করার মতো খারাপ কাজ আমরা করিনি, এটা আঞ্জুমানের ষড়যন্ত্র।
বিষয়টি সম্পর্কে ওয়ার্ড মেম্বার আবুল হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,এ বিষয়ে কোনো পক্ষই আমার কাছে অভিযোগ করেনি,বিষয়টি সম্পর্কে আমি কিছুই জানিনা,তবে যদি কেও অভিযোগ করে তাহলে আমি দেখব বিষয়টি।

