
মোঃ রায়হান জোমাদ্দার, বিশেষ প্রতিনিধ:
আজ ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস।নারী আন্দোলনের ইতিহাসে এক গৌরবময় দিন। দিবস টি এবার পালিত হবে 'নারীর সমঅধিকার, সমসুযোগ এগিয়ে নিতে হোক বিনিয়োগ' প্রতিপাদ্যো।
বৈশ্বিক পেক্ষাপটে নারী-পুরুষসমতা অর্জন নারী ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে বিনিয়োগ এবং জেন্ডার -রেসপনসিড অর্থায়নকে উৎসায়িত করা হচ্ছে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নারীদের এগিয়ে নেওয়ার জন্য এবং ২০৪১ সালের উন্নত স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক বিভিন্ন উদ্যোগ গৃহীত হয়েছে। ১৯১০ সালে ডেনর্মাকের রাজধানী কোপেন হেগেনে দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক নারী সম্লেলনে নিয়মিত নারী দিবস পালনের সিদান্ত গৃহীত হয়।
যদিও ১৯১১ সালে প্রথম আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন করা হয় ১৯ মার্চ। ১৯১৪ সালে বেশ কয়েটি দেশ ৮ মার্চ নারী দিবস পালন করে। ১৯৭৫ সালে দিনটিকে স্বীকৃতি দেয় জাতিসংঘ। এই সূত্রে নারী দিবস প্রতি বছর ৮ মার্চআন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি লাভ কর ১৮৫৭ সালের ৮ মার্চ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের সেলাই কারখানা গুলোর নারী শ্রমিকরা তাদের নায্য অধিকারের দাবিতে রাস্তায় বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। তাদের দাবির অন্যতম দাবি ছিল দৈনিক ১২ ঘণ্টা শ্রমের পরিবর্তে ৮ ঘণ্টার কাজ। এই বিক্ষোভে হাজার হাজার নারী শ্রমিক রাস্তায় নেমে আসে এবং পুলিশের অত্যাচারের শিকার হন। এছাড়াও অগণিত শ্রমিক গ্রেফতার হন।
ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, আফগানিস্তান, রাশিয়া, কিউবা ইউক্রেনসহ অনেক দেশেই রয়েছে ৮ মার্চ সরকারি ছুটি। এছাড়াও চীন, নেপাল, মাদাগাস্কারেও এদিন শুধু নারীদের ছুটি দেওয়া হয়। আলবেনিয়া, মেসিডোনিয়া ও সার্বিয়াসহ অনেক দেশে ৮ মার্চ নারী দিবসের পাশাপাশি ‘মা’ দিবস হিসেবেও পালন করা হয়। নারী ও মা দুই দিবস মিলিয়ে দেশগুলোতে সরকারি ছুটি থাকে।
সম্পাদক- আবদুর রহমান
০১৩০৩১১২৬৭৬
Web:https://bangladeshamar.com/ Email: doinikbangladeshamar@gmail.com
Address: F-8, KA-90,JHK WINDCEL, KURIL KAZI BARI,VATARA,DHAKA-1229.
Copyright © 2026 বাংলাদেশ আমার. All rights reserved.