সম্পাদক

নিউজ ডেস্ক:

গত বৃহস্পতিবার জাহাজটি সোমালিয়ার উপকূলের দিকে নিয়ে আসে দস্যুরা। প্রথমে সোমালিয়ার গ্যারাকাদ উপকূল থেকে ২০ নটিক্যাল মাইল দূরে জিম্মি জাহাজটি নোঙর করেছিল দস্যুরা। এরপর সন্ধ্যার দিকে উপকূল থেকে ৭ নটিক্যাল মাইল দূরে নোঙর করে রাখে।শুক্রবার (১৫ মার্চ) জাহাজটি আবারও নোঙর তুলে কাছাকাছি আরেক এলাকায় নিয়ে যায় সোমালীয় জলদস্যুরা।

এদিন রাতে বাংলাদেশ মার্চেন্ট মেরিন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএমওএ) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এমভি আব্দুল্লাহকে যেখানে নোঙর করা ছিল, সেখান থেকে আজ ৪৫-৫০ নটিক্যাল মাইল উত্তর দিকে সরিয়ে সোমালিয়ার গদবজিরান উপকূলে নেওয়া হয়েছে। জাহাজটিকে গদবজিরান শহর থেকে ৪ নটিক্যাল মাইল দূরে নোঙর করা হয়েছে।

এস আর শিপিংয়ের প্রধান নির্বাহী ক্যাপ্টেন মেহেরুল করিম জানিয়েছেন, ‘কী কারণে জলদস্যুরা জাহাজটি সরিয়ে নিয়েছে তা জানি না। তবে আমরা জাহাজের অবস্থানের বিষয়ে নজর রাখছি।’

উল্লেখ্য, ভারত মহাসাগরে এমভি আবদুল্লাহ নামের বাংলাদেশি জাহাজটি মঙ্গলবার (১২ মার্চ) দুপুরে জলদস্যুদের ছিনতাইয়ের কবলে পড়ে। জাহাজে থাকা ২৩ বাংলাদেশি নাবিককে জিম্মি করে তারা।