
নিউজ ডেস্ক:
বৃহস্পতিবার বিকালে নয়া পল্টনে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে এক অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস তীব্র গরমকে ‘গজব’ বলে মন্তব্য করেছেন , যে শব্দ দিয়ে সৃষ্টিকর্তার রোষ বোঝানো হয়।
তার মতে, গরম লাগলেও সেটা সরকারের দোষ। দাবি করেছেন, সরকারের ‘মদতপুষ্টরা’ ঢাকা শহরের জলাশয় বালু দিয়ে ভরাট করে ফেলেছে, এ কারণে ঠান্ডা হাওয়া শহরে ঢুকতে পারে না।
তীব্র গরমে পথচারীদের মধ্যে পানি ও স্যালাইন বিতরণে বৃহস্পতিবার বিকালে নয়া পল্টনে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।সরকারকে ‘গণবিরোধী’ ও ‘অনির্বাচিত ‘ আখ্যা দিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, “এই সরকার থাকার কারণে আজকে আমাদের উপরে একটা ‘গজব’ নাজিল হয়েছে, একটি ‘গজব’।“আমি দেখলাম, একজন মওলানা সাহেব ওয়াজ করেছেন, ‘এটা গরম না.. এটা পরিবেশ ধ্বংসের একটা চিহ্ন। আজকে বলতে পারেন, গরম লাগলে সরকারের দোষ? অবশ্যই সরকারের দোষ।”
এ রকম গরম বাংলাদেশে আগে ‘কখনো ছিল’ না মন্তব্য করে বিএনপি নেতা বলেন, “আমি যদি বলি বাংলাদেশের ঋতু কয়টি, অনেকে বলতে পারবে না। যদি বলি নাম বলতে তাও বলতে পারব না। মানুষজন সেই ঋতু এখন অনুভবও করে না। কারণটা কী?“খুব ধীরে ধীরে বাংলাদেশ একটা মরুকরণ প্রক্রিয়ায় চলে যাচ্ছে। তার একটা মাত্র কারণ ‘অবৈধ, নতজানু’ সরকার, তাদের নতজানু পররাষ্ট্র নীতি।”
ফারাক্কায় বাঁধের কারণে পদ্মায় পানি নাই মন্তব্য করে মির্জা আব্বাস বলেন, “আমাদের তিস্তায় পানি নাই, ব্রহ্মপুত্রের পানি নাই, যমুনায় পানি নাই, জলীয় বাষ্প নাই।“বাংলাদেশে ১১শটির বেশি নদী ছিল। তার মধ্যে তিনশ নদী নিখোঁজ হয়ে গেছে। তিনশ নদী এই আওয়ামী চক্রে ভূমি দস্যুর কবলে পড়ে নিখোঁজ হয়ে গেছে। এটাই হল সারাদেশের পরিবেশের অবস্থা।”
‘ঢাকা আজ কৃত্রিম মরুভূমি’জলাশয়গুলো দখল করে ভরাট করায় ঢাকা শহর ‘কৃত্রিম মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে’ বলে মন্তব্য করেছেন মির্জা আব্বাস।
সাবেক গণপূর্ত মন্ত্রী বলেন, “ঢাকা শহর আজকে ইট-পাথরে গাঁথা শহরে পরিণত হয়েছে। আজকে ঘাস দেখা যায় না, গাছ দেখা যায় না। সবচেয়ে বড় সমস্যা হল ঢাকা শহর আজকে একটা কৃত্রিম মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে।“ঢাকা শহরের চারিদিকে যে জলাশয়গুলো ছিল, সেগুলো ভরাট হয়ে গেছে। এই ভূমিদস্যুরা জলাশয়গুলো দখল করে ফেলেছে।”
সম্পাদক- আবদুর রহমান
Web:https://bangladeshamar.com/ Email: doinikbangladeshamar@gmail.com
Address: F-8, KA-90,JHK WINDCEL, KURIL KAZI BARI,VATARA,DHAKA-1229.
Copyright © 2026 বাংলাদেশ আমার. All rights reserved.