ওমর ফারুক
মোঃ রায়হান জোমাদ্দার, বিশেষ প্রতিনিধি:
গরমে মুরগি মরার কারণে প্রভাব পড়েছে মাংস ও ডিমের বাজারে। খরায় সবজির উৎপাদন ব্যাহত হয়ে বেড়েছে দাম।
বাজারে মাছ, মাংস, ডিমসহ সব ধরনের আমিষের দাম চড়া। এর সঙ্গে খরায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় বেড়েছে সবজির দামও। কয়েকটি সবজির দাম প্রতি কেজির দাম ১০০ টাকার ঘরে পৌঁছেছে।
এবার মৌসুম শেষ হতেই বেড়েছে আলুর দাম। এদিকে চাল, ডাল, আটা, ময়দা, চিনি ও তেলের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও উচ্চ মূল্যে স্থিতিশীল হয়ে আছে। সব মিলিয়ে সাধারণ ক্রেতাদের জন্য বাজারে তেমন সুখবর নেই।
আজ শনিবার রাজধানীর নিউমার্কেট কাঁচাবাজার ও পলাশী বাজার ঘুরে ও সংশ্লিষ্ট বাক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতি কেজি বেগুনের দাম আবারও শতক ছুঁয়েছে। আকার ও – মানভেদে প্রতি কেজি বেগুনের দাম চাওয়া হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা।
বরবটির দাম রাখা হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজি। আর পেঁপের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকায়। বাজারে অন্যান্য সবজির মধ্যে ঝিতে, ধুন্দুল ও চিচিঙ্গা বিক্রি হচ্ছে ■ ৭০ থেকে ৮০ টাকা।
কিছুটা কমে ৬০ টাকার মধ্যে ■ বিক্রি হচ্ছে পটোল ও ঢ্যাঁড়স। এদিকে ক্রেতাদের এক কেজি আলু কিনতে গুনতে হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা।
বাজারে সবজির দাম বাড়তির বিষয়ে বাংলাদেশ কাঁচামাল আড়ত মালিক সমিতির ■ সভাপতি মো. ইমরান মাষ্টার দৈনিক আজকালের সংবাদ বলেন, প্রচণ্ড তাপের কারণে মাঠে সবজি উৎপাদন – ব্যাহত হয়েছে।
তাই বাজারে সবজির সরবরাহ কম, দামও বেড়েছে। নতুন করে কৃষকেরা যেসব সবজি লাগাচ্ছেন, তা আসতে সময় লাগবে। দুই থেকে তিন সপ্তাহের আগে সবজির দাম কমার সম্ভাবনা নেই বলে মনে করেন তিনি।
এদিকে রোজার সময়ে বেড়ে যাওয়া এয় মাংসের বাজারে ঈদের পর আরেকটু পরিবর্তন এসেছে। গরমে মুরগি মরার প্রভাব পড়েছে বাজারে। সোনালি মুরগির দাম প্রতি কেজি ৪০০ টাকায় উঠেছে।
কোথাও আরও ১০ টাকা বাড়তি। এক রোজার মধ্যেও যা প্রতি কেজি ৩৫০ টাকার জর আশপাশে ছিল। ব্রয়লার মুরগির কেজি ২২০ থেকে ২৩০ টাকা। ঈদের পর নতুন করে ডিমের দাম ডজনে ২০ টাকা বেড়েছে। ফার্মের বাদামি রঙের স্প ডিমের দাম পড়ছে প্রতি ডজন ১৩৫ থেকে ১৪০ এর টাকা।
সাদা রঙের ডিম ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকা। মাঠে গরুর মাংসের কেজি পড়ছে ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা। খাসির মাংসের দাম পড়ছে ১০০০ থেকে ১ হয়ে হাজার ১০০ টাকা।
গতএক সপ্তাহ আগে
রুই মাছের দাম পড়ছে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি। ইলিশের বাজারের ঠিক নেই। এক কেজি আকারের ইলিশের দাম হাঁকানো হচ্ছে ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা। দেশি মাছের দাম সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। এক কেজি শোল ও মাগুর আকারে ছোট হলেও দাম চাওয়া হচ্ছে ৮০০ টাকা। মাঝারি আকারের বাইম ও বোয়ালের কেজি হাজার টাকার মতো।
চড়া হচ্ছে মসলার বাজার
সামনে কোরবানিকে ঘিরে চড়া হচ্ছে মসল বাজার। পেঁয়াজ, রসুন ও আদার দাম গত বছরে এই সময়ের তুলনায় কিছুটা বেশি দেখা যাচ্ছে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির সুযোগ থাকলে দাম বেশি হওয়ার কারণে আমদানিকারকতে তেমন আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না।
তাতে দো বাজারে পেঁয়াজের দামে বড় প্রভাব ক্ষেত্রবিশেষে পেঁয়াজের দাম গত এক সং কেজিতে পাঁচ টাকার মতো কমেছে। এখন পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬৫ থেকে ৭০ টাকা কেজি
কারওয়ান বাজারের পাইকারি পেঁয়াজ বি বাবুল মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ ভালো। তবে দাম সেভাবে কমেনি। ভারত থেকে পেঁয়াজ আম করলে দেশের বাজারে দাম কমবে বলে আ যাচ্ছে।

