ওমর ফারুক

শাওন আহমেদ সা’দঃ-(মাধবদী-নরসিংদী প্রতিনিধি)

নরসিংদী সদর উপজেলা পাইকারচর ইউনিয়নস্থ বালাপুরের চর গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিষয়ে গ্রাম্য সালিসি থেকে উঠে গিয়ে দু’পক্ষের মারামারিতে ৫ জন আহত হয়েছে।

ঘটনাটি গত ১৬-ই মে বৃহস্পতিবার রাত ৯ টায় মেঘনাবাজারে ঘটেছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায়,কাশেমের ছেলে বিল্লাল ও মৃত ইউসুফের ছেলে মনির, গোলজার, আলতাফদের মধ্যে জমির বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছে।

বিল্লালের বাবা কাশেম জানায়,তাদের ক্রয়কৃত জমি হযরত আলীর দখলে, আর হযরত আলীর জমি ইউসুফের ছেলেদের দেখলে।

এ বিরোধের জের মেটাতে তাঁরা স্থানীয় সালিসি প্রধানদের মাধ্যমে মিমাংসার জন্য বৃহস্পতিবার রাতে মেঘনাবাজার সিরাজুল ইসলাম সাহেবের গদিতে বসে,বিষয়টি গ্রাম্য সালিসি মিমাংসা না করতেই,সালিসি থেকে উঠে এসে দু’পক্ষ মারামারিতে লিপ্ত হয়।

এতে মৃত ইউসুফের ৩ পুত্র আলতাফ, গোলজার, মনির সহ জাকির ও আনোয়ার আহত হয়।

আহত সবাইকে নরসিংদী সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়েছে।

হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়,জাকিরের মাথায় ব্যান্ডেজ এবং অন্যান্যরাও চিকিৎসা নিচ্ছেন,এসময় আহত ব্যক্তি জাকির জানায়,বিল্লাল ও তাঁর ভাগিনারা মিলে, জাকিরের ৩ ভাতিজাকে রাস্তায় ফেলে মারলে,সে এগিয়ে ছুটাতে গেলে তাঁকে মাথায় কোপ মেরে রক্তাক্ত করে ফেলে,এবং গোলজার , আলতাফ, মনির,ও আনোয়ারকেও মেরে আহত করে ফেলে।

ঘটনা সম্পর্কে বিল্লালের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান,আমরা কারো উপর হাত তুলতে চাইনি,বিচার শেষে আমরা বাড়িতে চলে আসি,তারপর জসিম গ্যাংয়ের নেতৃত্বে জাকির, আনোয়ার, মনির,গোলজার, আলতাফ, হযরত আলী,রফু সহ আরো কয়েকজন দাঁ,ছুড়ি,লাঠি নিয়ে আমার বাসায় এসে হামলা করে,যা আমি ভিডিও ধারণ করে রাখি, তাঁরা আমাদেরকে ইট পাটকেল করতে থাকে, আমাদের বাড়ির টিন ছুরি দিয়ে কেটে ফেলে ও ভাঙচুর করে,তাঁদেরকে প্রতিহত করতে, আমরা বাঁচার জন্য প্রতিহত করতে হয়তো কারো কারো শরীরে আঘাত লাগে,এতে আমরাও আঘাত পাই , শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন দেখায়,রাত ৯ টায় এ ঘটনার পর তাঁরা আমার বাড়িতে আগুন দেয় এবং কিছু মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

বিষয়টি সম্পর্কে মাধবদী থানা পুলিশ জানলে,ঘটনাস্থল এসে পরিদর্শন করে যান,এবং এলাকা শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তাঁরা দীর্ঘ সময় মেঘনাবাজারে অবস্থান নেয়।

রিপোর্টটি লেখা পর্যন্ত মোঃবিল্লাল হোসেন মাধবদী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন,এবং জাকির গ্রুপের তাঁরাও মামলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।