সম্পাদক
মোঃ আব্দুল খালেক, রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:
সারাদেশের ন্যায় কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের তোড়ে উপজেলার ৪টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়। যারফলে এলাকার হাজার হাজার মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়ে। পানির তোড়ে ভেঙ্গে যায় অসংখ্য গ্রামীণ আধাপাকা ও কাচা সড়ক। বর্ন্যার ফলে গ্রামের খেটে খাওয়া হতদরিদ্র মানুষের দুর্ভোগ বেড়ে গেছে। মাঠে কোন কাজ না থাকায় বেকার হয়ে পড়ে গ্রামগঞ্জের খেটে খাওয়া মানুষ।
এমন পরিস্থিতিতে সরকারী সহায়তা ত্রাণ নিয়ে পানি বন্দি মানুষের মাঝে হাজির হন কুড়িগ্রাম ৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট বিপ্লব হাসান পলাশ। বন্যাকালীন সময় সপ্তাহব্যাপী আরাম আয়েশ নিদ্রাবিহীন ক্লান্তিহীন ভাবে গরীব দুখির ঘরে ঘরে গিয়ে খাদ্র-সামগ্রি পৌছে দেন। প্রতিদিন সকাল থেকে রাতভর পানি বন্দি মানুষের দুঃখ দূর্দশার খোজ খবর নিতে কখনো পায়ে হেটে , কখনো নৌকা যোগে মানুয়ের মাঝে ত্রাণ পৌছে দেন ও বানভাসি মানুষের সুখ দুঃখ অবলোকন করেন। বন্যার পানি কিছুটা কমতে শুরু করলেও মানুষের মাঝে নানা দূভোগ লেগেইে আছে। কৃষকের বীজতলা বন্যার ফলে নষ্ট হয়ে যাওয়ায় কৃষকের মাঝে হতাশা বিরাজ করছে। শতশত পুকুর মাছের ঘের তলিয়ে যাওয়ায় আগামীতে মাছ সংকটের কথা ভাবছে অনেকে।
এ ব্যাপারে পানিবন্দি মানুষের মাঝে পানি সংরক্ষণ ও পানি বিশুদ্ধ করণ বিষয়ে রৌমারী জনস্বাস্থ্য উপসহকারী প্রকৌশলী তরিকুল ইসলাম জানান, রৌমারীর দুটি ইউনিয়নে দাঁতভাঙ্গ ও বন্দবেড় ইউনিয়নে ১৭শ পানির কন্টিনার ও পানি বিশুদ্ধ করণ টেবলেট সরবরাহ করা হয়েছে। একপর্যায়ে এমপি পলাশ দূর্দশা গ্রস্থ মানুয়ের দূর্ভোগ লাঘবে বন্যা পরবর্তী সময়ে সকল সমস্য সমাধানে পানি বন্দি কাছে আশ্বাস প্রদান করেন।

